মারুফ সরকার, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের ঢাকা-সিরাজগঞ্জ হাইওয়ে রোডের পাশে অথচ বঙ্গবন্ধু পশ্চিম রেল স্টেশন উত্তর সংলগ্ন এলাকায় যমুনা নদী থেকে আওয়ামীলীগের কিছু অসাধু কর্মী দীর্ঘ দিন যাবৎ অবৈধভাবে বালু উত্তেলন করছে ।
আর এই বালু উত্তেলন চলতে থাকলে যে কোন সময় বঙ্গবন্ধু সেতু, রেল লাইন, বেসিক শিল্পা পার্ক ইকোপার্ক, আবাদী জমি, ও বাড়িঘরের বড় ধরণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে । প্রশাসনের নাগায় ডগায় অনেক দিন যাবৎ এই বালু উত্তেলন চলতে থাকলেও প্রাশাসন কোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে না ।
আর রেল স্টেশনের জায়গা দখন করে বিশাল বালুর স্তুপ তৈরি করে এবং সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তা বছর জুড়ে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকার রমরমার ব্যবসা বানিজ্য চলছে, এতে সরকার হারাচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব।
সম্প্রতি সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলে জানা যায়, সয়দাবাদ ইউনিয়নের যুবলীগ নেতা ,বেল্লাল, জাহাঙ্গীর, জহুরুল ও সেলিমসহ আরও কয়েকজন এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা । তারা উক্ত স্থানে দুই থেকে তিনটা বাংলাড্রেজার বসিয়ে তা দিয়ে পুকুরের মতো ২০ থেকে ৩০ ফুট বিশাল গর্ত করে সেখান থেকে অবৈধ উপায়ে বালু তুলছে ও অন্য পাশে সেতু কর্তৃপক্ষের জায়গা দখন করে বিশাল বালুর স্ত’প তৈরি করছে ও ট্রাক দিয়ে বিভিন্ন জায়গা পরিবহন করছে।
আর তা জানা সত্বেও স্থানীয় প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারণে কোনোভাবেই সরব হতে পারছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ জেলা নদী রক্ষা কমিটি। এসব সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে না পারায় সয়দাবাদ ইউনিয়নসহ উর্দ্ধেতন কর্তৃপক্ষের প্রাশসনের বিরুদ্ধেও ভুক্তভোগীদের বিস্তার অভিযোগ রয়েছে।
টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর সাইট অফিসের সহকারী পরিচালক (এস্টেট) আবু বক্বর সিদ্দিক জানান, কতিপয় ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিশ পাড়ে সয়দাবাদ রেল স্টেশনের উত্তর-পশ্চিম দিকে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের জমি জবরদখন করে র্দীঘদিন যাবৎ অবৈধ বালুর স্ত’পও পরিবহন করছে তা সর্ম্পন্নভাবে অবৈধ । তাই আমি জানতে পেরে বঙ্গবন্ধু পশ্চিম পুলিশ স্টেশনে একটি সাধারণ ডায়রী করেছি যার জিডি নং-৪৩৬ । কিন্তুু অনেক দিন হয়ে গেলও প্রশাসন কোন ব্যবস্থায় নেয় নি । এখনো সেখানে পুরোদমে বালু উত্তেলন চলছে ।
এলাকবাসী জানায়, এভাবে বালু উত্তেলন চলতে থাকলে আমাদের ফসলি জমি, বাড়ি ঘর খুব কম সময়ের মধ্যে নদীতে বিলীন হয়ে যাবে । আমরা এটি বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাই ।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরকার মোহাম্মাদ রায়হান বলেন, ‘খবর পেলে আমরা প্রায়ই অভিযান চালিয়ে থাকি। এটিও দেখা হবে।









