সুনামগঞ্জ ২০১১ সালের সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার উত্তর কাপনা গ্রামের রোশনা বেগমকে হত্যার অভিযোগে ১ জনকে মৃত্যুদন্ড, ১জনকে যাবজ্জীবন ও ১জনকে ৫ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। অপর ২ জনকে খালাস প্রদান করা হয়েছে। রায়ের সময় ৪ জন ডকে উপস্থিত থাকলেও মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামি ছিলেন পলাতক। ২০ (আগস্ট) বুধবার বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক তেহসিন ইফতেখার এই আদেশ প্রদান করেন। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামি হলেন, বিশ্বম্ভপুর উপজেলার মৌয়াকুড়া গ্রামের আঃ মজিদের পুত্র মোঃ আরাধন মিয়া। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি হলেন আঃ মজিদের স্ত্রী- শমলা বেগম ওরফে ছমলা। তাছাড়া একই গ্রামের আঃ জলিলের পুত্রকে দেয়া হয় ৫ বছরের কারাদণ্ড। খালাস প্রাপ্তরা হলেন, মৃত মফিজ উদদীন এর ছেলে মোহাম্মদ আলী ও মৃত আঃ হামিদের ছেলে মোঃ হাতিম উল্লা। আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ২১ জানুয়ারি সকাল সাড়ে দশটার দিকে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরিয়া প্রতিপক্ষের হামলায় মারা যান রোশনা বেগম। ওই ঘটনায় ১১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন নিহতের বোন মোছাঃ লেবুসা। দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর বিচারকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর বুধবার বিকেলে এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হয়। বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. আবুল বাশার বলেন, আমরা উক্ত রায়ে সন্তুষ্ট এবং ন্যায় বিচার পেয়েছি দ্রুত সময়ের মধ্যে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতারের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহবান জানান তিনি।









