সুনামগঞ্জে বিজিবির জব্দ করা ৯০টি ভারতীয় গরু গায়েব করার ঘটনায় ৫ জিম্মাদারসহ দায়ীদের বিরুদ্ধে ৩ দিনের মধ্যে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (৩১ আগস্ট) বিকেলে সুনামগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জসিম এ আদেশ দেন।
আদেশে বলা হয়- বিজিবির জব্দ করা ৯০টি গরু যেহেতু জেলা প্রশাসন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ৫ জন জিম্মাদারের কাছে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তে গিয়ে সেই গরুগুলোর হদিস পায়নি। এ বিষয়ে আদালত গরুর বিস্তারিত বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। এতে আটক ব্যক্তিরা ভারতীয় গরু আত্মসাৎ করে ছোট সাইজের দেশীয় গরু নিয়ে আসে। গরু জিম্মাদাররা হেফাজতের শর্তও ভঙ্গ করে আইনিভাবে দোষী সাব্যস্ত হন। তাই সার্বিক বিবেচনায় তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
বিধায় মামলার আলামত গ্রহণকারী ব্যক্তি দোয়ারাবাজার উপজেলার ১। মো. জাহাঙ্গীর আলম (৫৯), পিতা -মৃত রসমত আলী, সাং-বোগলাবাজার, ২। সবির আহমদ (৫০), পিতা-মো. হোসেন আলী, সাং-বোগলাবাজার, ৩। হারুনার রশিদ (৩৩), পিতা-মৃত মরতোজ আলী, সাং-বালিছাড়া, ৪। মো. নাজমুল হাসান (৩৩), পিতা- মনিরুল ইসলামম, সাং-ধর্মপুরও ৫। বাহার উদ্দিন (৩৫), পিতা-সাধক আলী, সাং-দোয়ারাবাজারসহ আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে এই আদেশ পাওয়ার ৩ দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করে অত্র আদালতকে অবহিত করার জন্য ওসিকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।
উল্লেখ্য, গত ৩০ এপ্রিল দোয়ারা বাজার উপজেলার সীমান্তবর্তী বোগলা বাজারে সুনামগঞ্জে টাস্কফোর্সের অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে আসা ভারতীয় ৯০টি গরু জব্দ করে বিজিবি। পরে বিজিবি ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে গরুগুলো জিম্মা দেওয়া হয় ৫ জিম্মাদারকে। কিছুদিন পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তদন্তে গিয়ে গরুগুলোর হদিস না পেয়ে বিষয়টি আদালতে অবহিত করেন।










