২৮শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-

২১ বছর ধরে শিক্ষার্থীদের বেতন আত্মসাত করেছেন প্রধান শিক্ষক হায়দার আলী

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, নয়া আলো।

আপডেট টাইম : জুন ০৯ ২০২১, ১৫:৫৫ | 649 বার পঠিত

স্কুল প্রতিষ্ঠাকাল থেকে শিক্ষাখাতে সরকারের ভুতর্’কি (উপবৃত্তি) প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ২১ বছর ধরে বেতন ভাতা গ্রহণ করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন রায়গঞ্জের নলকা মডেল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এসএম হায়দার আলী।
(০৯ জুন ২০২১ইং) তারিখে সিরাজগঞ্জ থেকে বহুল প্রচারিত দৈনিক যুগের কথা পত্রিকায় ‘উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে বেতন গ্রহণ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় এলাকার সচেতন মহল স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন এবং এলাকায় টক অব দ্যা নলকায় পরিণত হয়েছে। সেই সাথে এলাকার সচেতন মহল প্রধান শিক্ষক এসএস হায়দার আলীর দূর্নীতির তথ্য প্রকাশ করতে শুরু করেছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৯৮ সালে রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা ইউনিয়নে নলকা মডেল হাই স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার ২ বছর পর ২০০০ সাল থেকে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ১৫০জন শিক্ষার্থী উপবৃত্তি প্রাপ্ত হয়। কিন্তু প্রধান শিক্ষক হায়দার আলী ২০০০ সাল থেকেই উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে বেতন গ্রহণ করে আত্মসাত করতে থাকেন। এমনি করে ২০০০ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রতি বছরেই উপবৃত্তি প্রাপ্ত ২’শ শিক্ষার্থীর নিকট থেকে বেতন গ্রহণ করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করে আসছেন।
সরেজমিনে (০৬ জুন ২০২১ইং তারিখে নলকা মডেল হাই স্কুলে দেখা যায়, ৯ম শ্রেণিতে ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের রেজিষ্ট্রেশন করতে আসা ১১জন উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে বেতন গ্রহণ করা হয়েছে।
৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী কারিশমা এর অভিভাবক বলেন, আমি গরীব মানুষ, আমার মেয়ে উপবৃত্তি গ্রহণ করেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক এসএম হায়দার আলীর নির্দেশে ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত বেতন গ্রহণ করেছেন। করোনা দূর্যোগকালেও ৯ম শ্রেণির রেজিষ্ট্রেশন করতে বেতন বাবদ ২’শ ৪০ টাকা, স্কুল বন্ধ তবুও বিদ্যুৎ বিল ৬০ টাকা ও অতিরিক্ত অর্থ ৪’শ টাকা হিসেবে মোট ১৫’শ টাকা আদায় করে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন।
এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক এসএম হায়দার আলী বলেন, নলকা মডেল হাই স্কুল ২০০০ সাল থেকেই উপবৃত্তি প্রাপ্ত হয়েছে। ২০০০ সালে উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১৫০জন। প্রতি বছরেই উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ছিল প্রায় ২’শ জনের অধিক। উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বেতন গ্রহণ করেছেন। কিন্তু গ্রহণকৃত বেতনের টাকা আত্মসাতের কথা অস্বীকার করেন।
এবিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার শফিউল্লাহ বলেন, সরকারের ভ’তুর্কি ‘উপবৃত্তি’ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে কোন প্রকার বেতন গ্রহণ করা যাবে না। তবে সেশন চার্জ গ্রহণ করা যাবে। এবিষয়ে আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4651801আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 3এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET