২৯শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, ১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৮ই জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনামঃ-
  • হোম
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • ৩ ধারা নোটিশের আগের দিন অধিক দামে মা মেয়ের সাব-কবলা দলিল রাজবাড়ীতে গ্রীড উপকেন্দ্র স্থাপনের জমি উচ্চ মূল্যে অধিগ্রহণ কয়েক কোটি টাকা সিন্ডিকেট করে বেহাত

৩ ধারা নোটিশের আগের দিন অধিক দামে মা মেয়ের সাব-কবলা দলিল রাজবাড়ীতে গ্রীড উপকেন্দ্র স্থাপনের জমি উচ্চ মূল্যে অধিগ্রহণ কয়েক কোটি টাকা সিন্ডিকেট করে বেহাত

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : আগস্ট ১৭ ২০১৬, ২২:৫৪ | 680 বার পঠিত

14012014_188637791552971_409913216_nরাজবাড়ী প্রতিনিধি :: রাশেদ খান মিলন- রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের চরবাগমারা মৌজায় কুষ্টিয়া মহাসড়কের পার্শ্বে (পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের বিপরীতে) ‘রাজবাড়ী ১৩২/৩৩ কেভি গ্রীড উপকেন্দ্র’ স্থাপনের ভূমি অধিগ্রহণে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বর্তমান বাজার মূল্যের চেয়ে ৫গুন এবং মৌজা ভিত্তিক নির্ধারিত বাজার মূল্যের প্রায় ৪গুন অধিক মূলে ৫একর ভূমি অধিগ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এতে সরকারী কয়েক কোটি টাকা বেহাতের ঘটনায় বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন ও তোলপাড় চলছে। ইতিমধ্যে একাধিক সংস্থা এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করেছে। জানাগেছে, দেশের বিদ্যুৎ সঞ্চালন সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে সরকার দেশের পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করে। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকার, কেএফডব্লিউ জার্মানী ও পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ লিঃ(পিজিসিবি’র) যৌথ অর্থায়নে ওয়েস্টার্ণ গ্রীড নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় ‘রাজবাড়ী ১৩২/৩৩ কেভি গ্রীড উপকেন্দ্র’ নির্মাণের জন্য পিজিসিবি’র ওয়েস্টার্ণ গ্রীড নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ মাসুম আলম বক্সী গত ০৯/০৬/২০১৫ তারিখে রাজবাড়ী সদর উপজেলার চর বাগমারা মৌজায় ৫একর(৫শত শতাংশ) জমি অধিগ্রহণের জন্য রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন। তার আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় ১০ আইটেমের কাগজপত্র সংযুক্ত করে দেয়া হয়। আবেদনের পরদিন ১০/০৬/২০১৫ তারিখে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল.এ শাখা থেকে ফাইল উপস্থাপন করা হয়। ওই দিনই জেলা প্রশাসক উক্ত আবেদনের বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) ও সদর উপজেলা নিবাহী অফিসারকে যৌথভাবে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলেন। একই দিন উক্ত দুই কর্মকর্তা যৌথভাবে তদন্ত করে উক্ত ভূমি অধিগ্রহণের জন্য প্রতিবেদন দাখিল করেন। তাদের প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ওই দিনই জেলা প্রশাসক ১৪/০৬/২০১৫ তারিখে ভূমি বরাদ্দ কমিটির সভা আহবান করেন। কমিটির সভায় অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ‘রাজবাড়ী ১৩২/৩৩ কেভি গ্রীড উপকেন্দ্র’ নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের আবেদনের পর থেকেই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল.এ শাখার কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সরব হয়ে ওঠে। শুরু হয় কতিপয় জমির মালিকের সাথে যোগসাজসে উচ্চ মূল্যে জমি অধিগ্রহণের কারসাজি। ৩ধারা নোটিশের আগের দিন প্রতারণামূলক উচ্চ মূল্যে এক শতাংশ জমির সাব-কবলা রেজিস্ট্রি ঃ ৫একরজমি অধিগ্রহণের জন্য পিজিসিবি আবেদন করার পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কতিপয় ভূমি মালিক অবৈধপন্থায় লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে পরস্পর যোগসাজসে স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল অধ্যাদেশ, ১৯৮২ এর ৩ধারা মোতাবেক সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিকদের নোটিশ প্রদানের আগের দিন(গত ২৪/০৬/২০১৫ তারিখে) রাজবাড়ী সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে প্রতারণামূলক অধিক দাম উল্লেখ করে এক রাজবাড়ী বিসিকের এক নারী কর্মকর্তা তার কলেজ পড়–য়া কন্যার কাছে মাত্র ১শতাংশ জমি ৩লক্ষ টাকায় বিক্রির সাব-কবলা দলিল নং-৫৩০৬ রেজিস্ট্রি করেন। সরেজমিন অনুসন্ধানে জানাগেছে, বর্তমানে চর বাগমারা মৌজায়(পল্লী বিদুৎ অফিসের বিপরীতে) কুষ্টিয়া মহাসড়কের সাথে লাগোয়া জমি ৫৫ থেকে ৬৫হাজার টাকা মূল্যে প্রতি শতাংশ নাল(ফসলী জমি) এবং তার চেয়ে একটু ভিতরে ৪০ থেকে ৩৫হাজার টাকা মূল্যে প্রতি শতাংশ নাল(ফসলী জমি) বিক্রি হচ্ছে। রাজবাড়ী সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় সুত্রে জানাযায়, চর বাগমারা মৌজার শ্রেণী ভিত্তিক নির্ধারিত বাজার মূল্য প্রতি শতাংশ নাল জমি ৬৮,৬৯৩ টাকা, বাড়ী ৭,৭৫০টাকা, ভিটা ৫,৩৩৩ টাকা, বাগান ও পুকুর পাড় ২,৩০০টাকা, পুকুর ও ডোবা ১,৪৭৮ টাকা এবং পতিত জমি ২,৫০০ টাকা। রাজবাড়ী সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সাব-কবলা দলিল নং-৫৩০৬, তাং-২৪/০৬/২০১৫ পর্যালোচনায় প্রকাশ, রাজবাড়ীর বিসিকে কর্মরত সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোছাঃ আফছানা জাহান উক্ত চরবাগমারা মৌজার এস.এ-২৭৯ ও বি.এস-৩৬২ দাগের ৬৩শতাংশ জমির মধ্যে তার কন্যা(জমি ক্রেতা) কাজী তানজিনা তাসকীন মৌ-এর কাছে ৩লক্ষ টাকায় ১শতাংশ জমি বিক্রি দেখান। অনুসন্ধানে আরো জানাযায়, মোছাঃ আফছানা জাহানের কন্যা কাজী তানজিনা তাসকীন মৌ কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থী। মা-মেয়ে একই বাড়ীতে একই ঘরে বসবাস করে। শুধুমাত্র জমি অধিগ্রহণে সরকারীভাবে অতিরিক্ত মূল্য বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল.এ শাখার সার্ভেয়ারসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে যোগসাজসে তিনি(আফছানা জাহান) তার বেকার কন্যার কাছে উক্ত জমি বিক্রি দেখান। তার এই দলিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জমির মূল্য বৃদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে এবং মোছাঃ আফছানা জাহান ৪৬ শতাংশ জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ বাবদ ২কিস্তিতে প্রায় কোটি গ্রহণ কর

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4654427আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 0এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET