২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার, ৮ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৫ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

শিরোনামঃ-

৯ জেলায় নিহত ২৩ রোয়ানুরে লণ্ডভণ্ড উপকূল

Khorshed Alam Chowdhury

আপডেট টাইম : মে ২২ ২০১৬, ০২:৪৩ | 707 বার পঠিত

15111_f1নয়া আলো ডেস্ক- ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে উপকূল। ঝড়ে ৯ জেলায় অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কয়েকশ মানুষ। জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়েছে কয়েকটি জেলার নিম্নাঞ্চল। গতকাল দুপুরে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু বরিশাল ও চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করে। এর আগে শুক্রবার রাত থেকে ঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বাঁধ ভেঙে পানিতে ভেসে যায়  অনেক এলাকা। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে উপকূলীয় ১৮ জেলার অন্তত ৫ লাখ লোককে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়ার কথা জানিয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতির কারণে আজকের পূর্বনির্ধারিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া কেটে যাওয়ায় গতকাল রাত থেকে সারা দেশে নৌ চলাচল শুরু হয়েছে। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সাতজন নিহত হয়েছেন। ভোলায় মৃত্যু হয়েছে চারজনের। নিখোঁজ রয়েছেন আরো আটজন। চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীতে মারা গেছেন তিনজন করে। কক্সবাজারে মৃত্যু হয়েছে দুজনের। এছাড়া পটুয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী ও সন্দ্বীপে মারা গেছেন একজন করে। এসব এলাকায় কয়েকশ’ মানুষ আহত ও আশ্রয়হারা হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গতকাল সকাল থেকে চট্টগ্রাম নগরীসহ আশপাশের এলাকা ছিল বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। এছাড়া উপকূলের আক্রান্ত জেলাগুলোতেও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। রাস্তায় গাছ পড়ে অনেক স্থানে যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভেঙে পড়ে। ঝড়ের পূর্বাভাস পেয়ে শুক্রবার বিকাল থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে পাঁচ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়। এছাড়া বন্ধ ছিল চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরের কার্যক্রম। চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে বন্ধ ছিল উড়োজাহাজ ওঠানামা। শুক্রবার রাত থেকে সারা দেশে নৌ চলাচল বন্ধ করে দেয়া হলেও আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় গতকাল বিকাল থেকে তা আবার চালু হয়।

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে জানান, চট্টগ্রামে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা বাঁশখালী ও আনোয়ারা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বঙ্গোপসাগরের মাঝখানে অবস্থিত সন্দ্বীপও। জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে গ্রামের পর গ্রাম। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফসলি ক্ষেত। উড়িয়ে নিয়ে গেছে মানুষের বাড়িঘর। অন্যদিকে ঝড়ের কবলে চট্টগ্রাম শহর, বাঁশখালী ও সন্দ্বীপে মারা গেছে ১০ জন। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ। বন্ধ রাখা হয় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ধরনের ফ্লাইট। একইভাবে বন্দরে পণ্য ওঠানামা ও খালাসের কাজ বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। বাঁশখালীতে মারা গেছেন ৭ জন। জেলা প্রশাসক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর মধ্যে তাহেরা বেগম নামের একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। বেড়ি বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় সেখানে অন্তত ৪০০ বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে গেছে। একই রকম চিত্র চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও সন্দ্বীপেও। আনোয়ারার ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর আঘাতে দুটি ইউনিয়নের বাড়িঘর জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গেছে। অন্যদিকে সন্দ্বীপের ৫-৬টি এলাকায় সাগরের পানি ঢুকে পড়ে। কিছু কিছু জায়গায় বেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে চট্টগ্রামে মারা গেছে কিশোরসহ ৩ জন। গতকাল দুপুর পৗনে ১টার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ থানার চিটাগং শপিং কমপ্লেক্সের পেছনে মো. রাকিব (১১) নামে এক শিশুর ওপর তিনতল একটি ভবন থেকে ইট এসে পড়ে। দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া নগরীর খুলশীতে নিহত অপর ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি।

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার রাত থেকেই সীতাকুণ্ডে ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করে। এতে ঘুমন্ত অবস্থায় গাছ চাপায় মা ও শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। উপকূলীয় কয়েকটি ইউনিয়নে জলোচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৩টায় উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর ছিন্নমূল বসতি এলাকার বাসিন্দা রফিকের বসতঘরের পাশে থাকা একটি গাছ বাতাসের তোড়ে উপড়ে বসতঘরে পড়ে। এ সময় ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রী কাজল বেগম (৫০) ও শিশুপুত্র মো. বাবুর (১০) গাছ ও মাটি চাপায় মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ দুটি উদ্ধার করে। নির্বাহী অফিসার নাজমুল ইসলাম ভুইয়া ও এসিল্যান্ড মাহবুব আলম জানান, ঘটনার পর থেকে ওই এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কুমিরা জেলেপাড়া, আলেকদিয়া, বাড়বকুণ্ড ও জোড়ামতলসহ কয়েকটি এলাকায় বেড়িবাঁধ ভাঙা থাকায় জলোচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। ঝড়ো হাওয়ায় ১২টি বসত ভেঙে গেছে। উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে।

ভোলা প্রতিনিধি জানান, ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শশীগঞ্জ ও তজুমদ্দিন বাজারে শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ জেলায় প্রায় সহস্রাধিক ঘরবাড়ি লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। ঘরচাপা পড়ে দুই নারীসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে শতাধিক লোক। এ সময় তিনটি কার্গো ডুবিতে নিখোঁজ রয়েছেন ৮ জন। নিহতরা হলেন তজুমদ্দিনের মফিজুল ইসলামের ছেলে আকরাম, একই উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়াডের্র নয়নের স্ত্রী রেখা বেগম (৩৫), দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের জাহাঙ্গীরের স্ত্রী রানু বেগম (৫৫)। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। শুক্রবার রাত তিনটায় ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু আঘাত হানে। এতে মুহূর্তেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় তজুমদ্দিন উপজেলা। এছাড়া ভোলা-তজুমদ্দিন-চরফ্যাসন আঞ্চলিক মহাসড়কের ওপর বিভিন্ন স্থানে গাছ পড়ে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে চরফ্যাশন উপজেলার পর্যটন এলাকা কুকরি মুকুরি ইউনিয়নে বেড়ি বাঁধের স্লুইজ গেট না থাকায় প্রায় ১০ হাজার লোক অতি জোয়ারে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। গতকাল সকাল ১০টায় ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে বালুভর্তি তিনটি কার্গো জাহাজডুবিতে ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিখোঁজদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার থেকে জানান, কক্সবাজারে রোয়ানুর প্রভাবে সাগরের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ছয়-সাত ফুট উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। জেলার কুতুবদিয়ায় মারা গেছেন ২ জন। নিহতদের একজন মাটির ঘরচাপা পড়ে এবং অন্যজন নিরাপদ স্থানে যাওয়ার সময় দুই নৌকার মাঝখানে চাপা পড়ে মারা যান। এছাড়া অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। অতিরিক্ত জলোচ্ছ্বাসে বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সাবিবুর রহমান জানিয়েছেন জলোচ্ছ্বাসে পাউবোর ২৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেড়িবাঁধ ভেঙে কুতুবদিয়ার চারটি, মহেশখালীর তিনটি, টেকনাফের একটি, পেকুয়ার তিনটি ইউনিয়ন লণ্ডভণ্ড হয়েছে। কক্সবাজার পৌরসভার নাজিরারটেকসহ বিভিন্ন এলাকার কয়েক হাজার ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার অন্তত অর্ধলক্ষাধিক মানুষকে শতাধিক আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে সড়কের ওপর গাছ উপড়ে পড়েছে। বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে গেছে।

স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী থেকে জানান, জোয়ারের পানি প্লাবিত হয়ে হাতিয়ায় মা-মেয়েসহ তিনজন মারা গেছে। এরা হলেন, হাতিয়ার চানিন্দ ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামের মিনারা বেগম (৩৫) ও তার ১০ বছরের মেয়ে মরিয়ম নেছা এবং জাহাজমার ইউনিয়নের রিপুলা বেগম (৪৭)। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মো. মইনুদ্দিন বলেন, বেলা সাড়ে তিনটার দিকে  জোয়ার আসতে দেখে আসবাবপত্র রক্ষা করতে ঘরে ঢোকেন তারা। এর মধ্যে জোয়ারের পানি এসে পড়ায় তারা আর ঘর থেকে বের হতে পারেননি। এছাড়া নিঝুম দ্বীপ, নলিছড়া, চরেশ্বর, চরকিং, তমরুদ্দি, বয়ারচর, নলেরচর এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বিধ্বস্ত হয়েছে ৪-৫শ কাঁচাঘর।

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি জানান, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর তেওয়ারীগঞ্জ এলাকায় গাছ পড়ে আনার উল্যাহ নামে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত আনার উল্যাহ উত্তর তেওয়ারীগঞ্জ এলাকার মৃত বসির উল্যার ছেলে। এছাড়া রামগতি উপজেলার চরগজারিয়া, তেলিরচর, বয়ারচর, চর আবদুল্লাহ, চরগাজী, বড়খেরী ও কমলনগর উপজেলার কালকিনি, লুধুয়া, সাহেবেরহাট, মাতাব্বরহাট উপকূলীয় এলাকার চরাঞ্চল থেকে ২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নিয়ে আশ্রয়ণ কেন্দ্রে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী। গত দুদিনের টানা বৃষ্টির কারণে লক্ষ্মীপুর পৌর এলাকার জেবি রোড, মিয়া আবু তাহের সড়কসহ বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। অপরদিকে মেঘনা নদীতে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে তিন ফুট উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

পটুয়াখালী/দশমিনা প্রতিনিধি জানান, পটুয়াখালীর দশমিনায় ঘরচাপা পড়ে নুরভানু বেগম (৫২) নামে এক বৃদ্ধা মারা গেছেন। এছাড়া রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজে বেড়িবাঁধ ভেঙে ৩টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে ৩০ হাজার মানুষ গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন। শনিবার ভোর ৫টার সময় ঝড়ো হাওয়ায় দশমিনার লক্ষ্মীপুরা গ্রামে সুন্দর আলীর ঝুপড়ি ঘরটি ভেঙে পড়লে তার স্ত্রী নুরভানু বেগম ঘটনাস্থলেই মারা যান। রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজের ৩টি স্থানের বেড়িবাঁধ ভেঙে তিনটি গ্রামে পানি ঢুকে পড়েছে। এক পর্যায়ে বড়বাজার, দক্ষিণ মোন্তাজ ও চরবেষ্টনী এলাকায় বেড়িবাঁধ ভেঙে বন্যার পানি প্রবেশ করে। মুহূর্তের মধ্যে সমগ্র গ্রাম ৪-৫ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। ফলে এসব অঞ্চলের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে। এছাড়া এ অঞ্চলে প্রায় চার শতাধিক কাচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। মাছের ঘের ও পুকুর তলিয়ে গেছে।
ফেনী প্রতিনিধি জানান, ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সমুদ্র উপকূলীয় এলাকার চরচান্দিয়ায় জেলেপাড়া এলাকায় এক রাখাল জোয়ারের পানিতে ভেসে নিহত হয়েছেন। প্লাবিত হয়েছে ৩ ইউনিয়নের ১০টি গ্রাম। এসব এলাকার ৩ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। শনিবার দুপুর ১টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানে। সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ইনচার্জ শরীফা হক জানান, চরচান্দিয়ায় জেলেপাড়া এলাকায় নুর আলম (৩৪) নামে এক রাখাল জোয়ারের পানিতে ডুবে নিহত হয়েছেন। উপজেলার ৫৮টি আশ্রয়ণ কেন্দ্রে কয়েক হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। দুই হাজার স্বেচ্ছাসেবক ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যার্থে কাজ করে যাচ্ছেন।

রোববারের এইচএসসি পরীক্ষা পিছিয়েছে
উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু আঘাত হানায় রোববারের পূর্বনির্ধারিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পেছানো হয়েছে। গতকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, দেশের আটটি শিক্ষা বোর্ড, কারিগরী শিক্ষা বোর্ড ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামীকাল ২২শে মে রোববারের অনুষ্ঠেয় সব পরীক্ষা পেছানো হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী ২২শে মে অনুষ্ঠেয় এইচএসসি/ডিআইবিএস পরীক্ষা হবে ২৭শে মে শুক্রবার। সকালের পরীক্ষা ৯টা থেকে এবং বিকালের পরীক্ষা বেলা ২টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে। আর মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ২২শে মে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষা হবে ২৪শে মে মঙ্গলবার বেলা ২টা থেকে। গতকাল ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর তাণ্ডবে উপকূল এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। ঝড়ে যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

Please follow and like us:

পাঠক গনন যন্ত্র

  • 4725740আজকের পাঠক সংখ্যা::
  • 3এখন আমাদের সাথে আছেন::

সর্বশেষ খবর

এ বিভাগের আরও খবর

প্রধান সম্পাদক- খোরশেদ আলম চৌধুরী, সম্পাদক- আশরাফুল ইসলাম জয়,  উপদেষ্টা সম্পাদক- নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

প্রধান সম্পাদক কর্তৃক  প্রচারিত ও প্রকাশিত

ঢাকা অফিস : রোড # ১৩, নিকুঞ্জ - ২, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯,

সম্পাদক - ০১৫২১৩৬৯৭২৭,০১৮৮০৯২০৭১৩

Email-dailynayaalo@gmail.com নিউজ রুম।

Email-Cvnayaalo@gmail.com সিভি জমা।

 

 

সাইট উন্নয়নেঃ ICTSYLHET