শুক্রবার , ১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ১৩ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

আটোয়ারীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- ইউসুফ আলী, আটোয়ারী,পঞ্চগড় করেসপন্ডেন্ট।

“ শিশু থেকে প্রবীণ, পুষ্টিকর খাবার সর্বজনীন ”- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৫ এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ( ০৩ জুন) বিকেলে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে এই সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. মোঃ হুমায়ুন কবীর এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরিফুজ্জামান আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন এবং পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে সপ্তাহব্যাপি জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ঘোষনা করেন। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি অফিসার মোস্তাক আহমেদ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মাসুদ হাসান, সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলাম। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা মৎস্য অফিসার সিরাজাম মুনীরা সুমি, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা(অ.দা.) মোঃ আবু তাহের, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, উপকারভোগীসহ গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন। সভাপতির বক্তব্যে ডা. হুমায়ুন কবীর জানান, জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ কর্মসূচির প্রথম দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে শুভ উদ্বোধন, দ্বিতীয় দিনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা, তৃতীয় দিন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পুষ্টিবার্তা প্রদান ও পুষ্টিকর খাবার বিতরণ, চতুর্থ দিনে কিশোর -কিশোরীদের পুষ্টি বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠান, পঞ্চম দিনে মাতৃস্বাস্থ্য ও পারিবারিক পুষ্টি বিষয়ক আলোচনা, ষষ্ঠ দিনে প্রবীণ পুষ্টি বিষয়ক আলোচনা এবং ৭ম সমাপনী দিনে ফুড বাকেট বিতরণ, পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভার মাধ্যমে সমাপনী ঘোষনা ছিল অন্যতম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও আরিফুজ্জামান বলেন, শিশু থেকে প্রবীণ সবার জন্য পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা একটি জাতীয় দায়িত্ব। সুস্থ জাতি গঠনে পুষ্টির বিকল্প নাই। পরিবার ও সমাজে পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্বাস্থ্যবান ও কর্মক্ষম প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব। বক্তারা পুষ্টি নিশ্চিত করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্য খাতের সমন্বিত প্রচেষ্টার আহবান জানান। আলোচনা শেষে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও হতদরিদ্র অসহায় মানুষের মাঝে পুষ্টিকর খাদ্য সামগ্রী (ফুড বাকেট) বিতরণ করা হয়।

Please follow and like us: