রবিবার , ৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ১৩ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

আটোয়ারীতে সরকারি বিদ্যালয়ের প্রাচীর নির্মাণ কাজে অনিয়ম

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

মোঃ জাহেরুল ইসলাম, আটোয়ারী (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাচীর নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জানাগেছে, উপজেলার ৩ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মানের জন্য দরপত্র আহবান করা হয়। বিদ্যালয়গুলো হলো, গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মির্জা গোলাম এরফান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও যুগিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয। দরপত্রের মাধ্যমে খায়রুল ইসলাম(রোমান) নামের ঠিকাদার নির্মাণ কাজটি পান। যাহার বরাদ্দ ৩০ লক্ষ ২৭ হাজার টাকা। নির্মাণ কাজ ৩০ অক্টোবর ২০১৮ এরমধ্যে সমাপ্ত করার কথা। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত যুগিকাটা ও মির্জা গোলাম এরফান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি। তবে গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের কাজ তড়িঘড়ি করে অনেকটা এগিয়ে নিয়েছেন। এলাকার সচেতন মহলের মতে ঠিকাদার মনগড়াভাবে নির্মান কাজ করছেন। এখানে নিুমানের বালি,খোয়া ও সিমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। ঠিকাদারকে বারবার নিষেধ করা হলেও তিনি কাহারো কথায় তোয়াক্কা না করে নিুমানের মালামাল দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকার লোকজন বিষয়টি সহ্য করতে না পেরে উপজেলা প্রকৌশলী ও জেলা পর্যায়ের প্রকৌশলী দপ্তরের উর্ধতন কর্মকর্তাকে মোবাইল ফোনে জানান।১৯ সেপ্টেম্বর বুধবার এলজিইডি,পঞ্চগড়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী খলিলুর রহমান ও উপজেলা প্রকৌশলী মালেক মন্ডল সরেজমিনে গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে কাজ পরিদর্শন করেন। নিুমানের কাজ পরিলক্ষিত হওয়ায় প্রকৌশলীগণ প্রাচীরের উপর গ্রীল আটকানো লীনডন ঢালাই ভেঙ্গে দেন এবং মজুদ থাকা নিুমানের খোয়া ,বালি ও সিমেন্ট পরিত্যাক্ত ঘোষনা করেন। এব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফাতেমা বেগম ও সভাপতি দিনদার আলী বলেন, কাজ আসলে নিুমানের হচ্ছে। কিন্তু কোনদিন ঠিকাদারের সাথে দেখা হয়নি। এদিকে মির্জা গোলাম এরফান ও যুগিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মানের জন্য ওই ঠিকাদার বেশ কিছুদিন আগে গর্ত করে রেখেছেন কিন্তু নির্মাণ কাজের ছোঁয়া লাগেনি। অনেকেই মন্তব্য করেছেন এই ঠিকাদার নিুমানের কাজ করে পুকুরচুরি করছে।

Please follow and like us: