, || - ||

আমাদেরও এক দফা।ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- নয়া আলো অনলাইন ডেস্ক।

সরকারের পদত্যাগে বিএনপি’র এক দফা দাবি প্রত্যাখ্যান করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তার দলেরও এক দফা, আর তা হলো শেখ হাসিনাকে ছাড়া কোনো নির্বাচন নয়। নির্বাচন হবে সংবিধানসম্মতভাবে।
গতকাল বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত বিশাল শান্তি  সমাবেশ থেকে তিনি এই ঘোষণা দেন। সমাবেশে ঢাকা মহানগর ও আশপাশের জেলা থেকে নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের, আমাদেরও দফা একটা, নির্বাচন শেখ হাসিনা সরকারের আমলেই হবে। শেখ হাসিনাই নেতৃত্ব দেবেন। তাদের এক দফা, আমাদেরও এক দফা সংবিধান সম্মত নির্বাচন। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এদিকে সমাবেশ থেকে সামনে যেকোনো ধরনের কর্মসূচির জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়। পাশাপাশি নির্বাচনের জন্য জনসংযোগও চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় নেতারা।

বেলা ৩টায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্যদিয়ে শান্তি সমাবেশ শুরু হয়। ব্যানার-ফেস্টুন হাতে একের পর এক মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন দলটির নেতাকর্মীরা। বিপুলসংখ্যক নেতাকার্মী সমাবেশস্থলে জড়ো হন।

তবে বৃষ্টির কারণে কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে নেতাকর্মীদের। বৃষ্টির পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মী সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন। এ ছাড়া রাজধানীর আশপাশের জেলাগুলো থেকেও দলীয় নেতাকর্মীরা সমাবেশে যোগ দেন। রাজধানীর জিপিও, গুলিস্তান ও স্টেডিয়াম এলাকায় লোকারণ্য হয়ে পড়ে। এদিকে সমাবেশকে ঘিরে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। দুপুর ১টা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন থেকে এসে সমাবেশস্থলে যোগ দেন নেতাকর্মীরা।

 

মঞ্চ থেকে বার বার ব্যানার নামানোর অনুরোধ করা হলেও কর্মীরা তাতে কর্ণপাত করেননি। সমাবেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি’র খবর জানেন! খবর জানেন, তাদের এক দফা জানেন? এক দফা হলো শেখ হাসিার পদত্যাগ। আমাদেরও দফা একটা, শেখ হাসিনা ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। নির্বাচন শেখ হাসিনা সরকারের আমলেই হবে। শেখ হাসিনাই নেতৃত্ব দেবেন। বাংলাদেশের জনগণ যাকে ভালোবাসে। বাংলাদেশের জনগণ যেই নেত্রীর সততাকে পছন্দ করে। বাংলাদেশের মানুষ যেই নেত্রীর উন্নয়নকে পছন্দ করে। বাংলাদেশের মানুষ যে নেত্রীর পরিশ্রম-সততাকে পছন্দ করে। সেই শেখ হাসিনাকে আমরা হারাতে চায় না। তিনি বলেন, বিএনপি জানে নির্বাচন হলে তারা হেরে যাবে। শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তায় তারা ভেসে যাবে। আর সেজন্য তারা শেখ হাসিনাকে হিংসা করে। ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা পদ্মা সেতু চায়নি, তারা মেট্রোরেল চায়নি। তারা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চায়নি। চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু টানেল চায়নি, একদিনে একশ’ সেতুর উদ্বোধন চায়নি।

রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প পছন্দ নয়। ঢাকা-চট্টগ্রামসহ সারা দেশে রাস্তাঘাটের যে উন্নয়ন যাদের পছন্দ নয় তারা শেখ হাসিনাকে পছন্দ করে না। শেখ হাসিনার অপরাধ দেশে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। শেখ হাসিনার অপরাধ স্মার্ট বাংলাদেশ করার স্বপ্ন দেখেছেন ২০৪১ সালের মধ্যে। আজকে সেটা তার অপরাধ। তিনি আরও বলেন, বিএনপি অনেক স্বপ্ন দেখেছিল, আজকেও কাঁথাবালিশ নিয়ে অনেক লোক আনার চেষ্টা করেছে। স্বপ্ন একটা, আগে একটা স্বপ্ন ছিল ওই ডিসেম্বরের স্বপ্ন ওই গোপীবাগের গরুর হাটে গিয়ে মারা গেছে। ওই স্বপ্ন মরে গেছে। আরেক স্বপ্ন দেখছে? কি স্বপ্ন শেখ হাসিনার পদত্যাগ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার। ওই স্বপ্ন শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নয়াপল্টনের কাঁদা পানিতে আটকে গেছে। বর্ষায় বৃষ্টি পড়েছে না? এই বৃষ্টির পানি, নয়াপল্টনে কাঁদা পানি ওর ভেতরে বিএনপি’র এক দফার সম্ভাবনা আটকে গেছে। খেলা হবে খেলা হবে সেøাগান দিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি’র বিরুদ্ধে খেলা হবে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে খেলা হবে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে, অর্থপাচারের বিরুদ্ধে, লুটপাটের বিরুদ্ধে, হাওয়া ভবনের বিরুদ্ধে, খেলা হবে, মোকাবিলা হবে, মাঠে আছেন, মাঠে থাকবেন। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, কোনো বাধা দেবো না। কাউকে আক্রমণ করতে যাব না। যেকোনো সময় মাঠে নামার জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুত  ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন পর্যন্ত খেলা হবে। মাঠ ছাড়বেন না। ডাক দিলেই চলে আসবেন।

বক্তব্যে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি ভোটে এলে হেরে যাবে, সেই ভয় থেকেই তারা শেখ হাসিনাকে ‘ঘৃণা’ করে। তবে তাদের দাবির মুখে নতি স্বীকার না করার প্রত্যয় জানিয়ে ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা বলেন, ৪৮ বছরে শেখ হাসিনার মতো সৎ প্রধানমন্ত্রী পাইনি। জনপ্রিয় নেতা পাইনি।‌ সাহসী নেতা পাইনি। একজন দক্ষ প্রশাসক পাইনি। এমন সফল একজন কূটনীতিক পাইনি। সেই শেখ হাসিনাকে হারাতে চাই না। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যে নেত্রীর সততাকে ভালোবাসেন, পছন্দ করেন।‌ যে নেত্রীর পরিশ্রম ও সততাকে পছন্দ করেন। রাত দুইটায় তাকে ফোন করে পাওয়া যাবে, এমন নেতা হারাতে চাই না। যাদের হাতে রক্তের দাগ, তাদের সঙ্গে আপস আলোচনা হবে না বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, আমাদের নেত্রী অনেক মহানুভবতা দেখিয়েছেন। ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার পরও কোকোর (খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান) মৃত্যুর পর গুলশানে ছুটে গিয়েছিলেন। কিন্তু দরজা বন্ধ ছিল। এদের সঙ্গে আপস করতে পারি না। বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে সোচ্চার দেশগুলোর উদ্দেশ্যেও কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, বিদেশি বন্ধুদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, আপনারা চান সুষ্ঠু নির্বাচন। আমাদেরও লক্ষ্য সুষ্ঠু নির্বাচন। এই নির্বাচনে যারা বাধা দিতে আসবে, তাদের প্রতিহত করার ঘোষণা দেন তিনি। নেতাকর্মীদের মাঠে থাকার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন জুলাই মাস। শোকের মাস আগস্ট। তারপর সেপ্টেম্বর, এখন থেকে কর্মসূচি চলবে।‌ একেক মাসে একেক রকম কর্মসূচি চলবে। আগস্ট মাসে শোকের কর্মসূচির পাশাপাশি গণসংযোগ চলবে। আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। ছাত্রলীগের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ছাত্র সমাবেশ করতে হবে। আর সময় নেই। অনেক কাজ সামনে। মহিলা আওয়ামী লীগকেও মহিলা সমাবেশ করার আহ্বান জানান তিনি। সমাবেশের শেষদিকে তিনি বলেন, এ রকম মঞ্চ আমি দেখতে চাই না। এত নেতা দেখতে চাই না। দূর-দূরান্ত থেকে লোক আনতে পারিনি। কারণ হাতে সময় কম ছিল। মাত্র ২৪ ঘণ্টার নোটিশে এই বিশাল সমাবেশ। এটাই আসলে আওয়ামী লীগ।

নির্বাচন পর্যন্ত মাঠে থাকার প্রত্যয়: এদিকে সমাবেশে নির্বাচন পর্যন্ত রাজপথ দখলে রাখার প্রত্যয়ের কথা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমরা এই ষড়যন্ত্র সফল হতে দেবো না। আজ থেকে ঢাকার রাজপথ আমাদের দখলে থাকবে। নির্বাচন পর্যন্ত আমরা মাঠে থাকবো। মেয়র বলেন, আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে নগর ভবন পর্যন্ত লোকারণ্য। আমরা বিএনপি’র ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মাঠে আছি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মাঠে থাকবো। ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগের কোনো বিকল্প নেই। নৌকার কোনো বিকল্প নেই। শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। আওয়ামী লীগ কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। তার প্রমাণ পদ্মা সেতু।

আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে হবে। নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে। শেখ হাসিনাকে বিজয়ী করতে হবে। সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, বিএনপি বলে দেশে গণতন্ত্র নেই। বিএনপি’র মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না। আপনাদের যতই সুবিধা দেয়া হোক আপনাদের চরিত্র বদলাবে না। এই দেশে একমাত্র শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই গণতন্ত্র চর্চা হচ্ছে, অন্য কোনো সরকারের সময়ে সেটা হয়নি। বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের দলের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কিন্তু শেখ হাসিনার দয়াতেই জেলের বাইরে আছেন।
বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসী দল উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতিম-লীর সদস্য এবং কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তারা বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু তাদের সেই রূপ বা চিন্তাধারা এখনো বদলায়নি।

সভাপতিম-লীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম বলেন, আজকের এই শান্তি সমাবেশ প্রমাণ করেছে, শেখ হাসিনা ছাড়া আর কারও এই দেশের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই।
সভাপতিম-লীর সদস্য এডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ করার প্রশ্নই আসে না। বাংলাদেশে আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে আসার সুযোগ নেই। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। সংবিধানের বাইরে নির্বাচনের কোনো সুযোগ নেই। নির্বাচনে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করবে না।

সভাপতিম-লীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ওরা (বিএনপি) এক কিলোমিটার দূরে যে সমাবেশ করছে, ওদের চেহারা জনগণ জানে। এক দফা কীসের দফা? এই দেশের অগ্রগতি সহ্য হয় না। তিনি বলেন, এদেশের মানুষ উন্নত বাংলাদেশ দেখুক এটা ওদের সহ্য হয় না। কারণ ওদের সৃষ্টিই হয়েছিল বাংলাদেশকে জঙ্গিরাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য।
দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি এক দফা ঘোষণা করার কথা বলছে। তারা মাঝে মধ্যে এক দফা ঘোষণা করে। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকার এখনো টিকে আছে। তাদের এক দফার আন্দোলন বেলুনের মতো ফুটো হয়ে গেছে। এবারো ফুটো হয়ে যাবে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, এই সমাবেশ  এমন সময় হচ্ছে, যখন শেখ হাসিনার নেতৃৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্র করছে। বিদেশি বন্ধুরা দেশে আসায়, তাদের উপস্থিতিতে বিএনপি একটা শোডাউন করতে চায়। তাদের সঙ্গে জনগণের কোনো সম্পর্ক নেই, তারা বিদেশিদের কাছে নালিশ করে।
সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেন, বিএনপি হেরে গেছে আজকেই। আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনা জিতবে।
মির্জা আজম বলেন, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশ বিদেশিদের হাতে তুলে দিতে চায়। সেজন্য তারা সরকার পতনের এক দফা দিচ্ছে। আমরা তাদের অতীতের মতো মোকাবিলা করবো।
এদিকে সমাবেশে প্রায় এক হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে উপস্থিত হন গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। মিছিল নিয়ে তিনি সমাবেশের মঞ্চের সামনে অবস্থান নেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফী।

সমাবেশে দু’গ্রুপের মারামারি: রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে দু’গ্রুপের মধ্যে  মারামারি ও চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল দুপুর পৌনে ২টার দিকে মঞ্চের সামনে অবস্থান নেয়াকে কেন্দ্র করে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর সমর্থকদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহম্মেদ মান্নাফীর সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের সমর্থকদের একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়তে দেখা যায়। এ সময় মঞ্চ থেকে সবাইকে বসে পড়ার জন্য বলছিলেন মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ। সমাবেশ শেষেও দলের কর্মীদের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটের সামনে ব্যানার নামানোকে কেন্দ্র করে কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে এ হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে সেখানে উপস্থিত সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে উভয়পক্ষ ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

Please follow and like us: