সোমবার , ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ৭ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

ইভটিজিং বাল্য বিবাহ মাদক,সন্ত্রাস ও জঙ্গীমুক্ত গড়ার প্রত্যয় নড়াইলের পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন,পিপিএম!

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- মোহাম্মদ ইমন মিয়া, বাঙ্গরা,কুমিল্লা করেসপন্ডেন্ট।

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি■:

জঙ্গী নাশকতাকারী সন্ত্রাসী ও ইয়াবা ব্যবসায়ীদের নড়াইলে ভিটে ছাড়া করা হবে না পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন,পিপিএম! নড়াইলে কোন প্রর্কার নাশকতাকারী মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান হবে না-মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ রোধ কল্পে। আমাদের নড়াইল প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান, নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পিপিএম, এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, পিপিএম, সহকারি পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ মেহেদী হাসান, সহকারি পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার্স) মোঃ জালাল উদ্দিন, সহকারি পুলিশ সুপার (প্র.বি.) মোঃ ইশতিয়াক আহম্মেদ, নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন, ডিবি পুলিশের ওসি আশিকুর রহমান। নড়াইলে, আর কোন নাশকতা নয়, মাদক নয়, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নয়। এ প্রসঙ্গে নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পিপিএম নড়াইলে কোন নাশকতাকারী মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান হবে না। যারা যে কোন দলেরই হক না কেনো নাশকতা, জুয়া ও মাদকের সাথে জরিত থাকলে তাদের কোন ছাড় নেই। আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠ ভাবে বাস্তবায়নে সহযোগিতা করায় আলো পুলিশের কাজ। তিনি সবাইকে ঐ ধরনের অপরাধ থেকে দুরে থাকার জন্য সতর্কবানী প্রদান করেন। কোন নাশকতা ঘটানো চেষ্টা করলে পুলিশ তাদেরকে দাঁত ভাঙা জবাব দিবে। এছাড়াও অত্র এলাকা থেকে ইভটিজিং ও বাল্য বিবাহ বন্ধ এবং মাদক,সন্ত্রাস ও জঙ্গীমুক্ত গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। নড়াইল জেলা পুলিশ প্রশাসনের সর্বোচ্চ পদে থেকেও এই মহৎপ্রাণ মানুষগুলো সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যেতে কুণ্ঠাবোধ করেননি। যার দরুণ দিনে দিনে তাঁরা নড়াইলবাসীর অবিচল আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। তাঁদের নির্দেশ ও সফল অভিযানে নড়াইলকে মাদকমুক্ত করতে, নড়াইল থেকে ফেরারী ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামিদের ধরে নিশ্চিত নিরাপত্তা বিধান করতে এবং নড়াইল জেলা পুলিশের অব্যাহত গতিকে সচল রাখতে এই চার পুলিশ কর্মকর্তা স্বশরীরে তদারকি করে যাচ্ছেন। এদিকে নড়াইল সদর সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ মেহেদী হাসানের পরিশ্রমের সুফল ভোগ করছেন নড়াইলবাসী। নড়াইল সদর সার্কেল তো বটেই এরপরও আশপাশ থানা লো এখন আগের চাইতেও আইন শৃঙ্খলা সমুন্নত। এই জেলার সকল থানার ল এন্ড অর্ডার এখন শতভাগ কার্যকর। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম পিপিএম বিশেষজ্ঞ একজন পুলিশ কর্মকর্তা মাদককে কন্ট্রোলে এনে সমূলে ধ্বংস করবে বলে জানান সচেতন মহল। তিনি খুনের সাথে জড়িতদের তাৎক্ষণিক গ্রেফতারের নির্দেশ পরবর্তী সার্বক্ষণিক মনিটরিং সহ তদারকি কাজে নিয়োজিত থাকতে যার সুফলও পাচ্ছে জেলাবাসী। সাহসী ও দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে কৃতিত্ববান তিনি। অন্যদিকে নড়াইল জেলা শহরসহ হাইওয়ে পুলিশকে নিজ আয়ত্বে নিয়ে এসে অবিরাম নিয়ন্ত্রণ ও তদারকিতে সিদ্ধ হস্ত সহকারি পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার্স) মোঃ জালাল উদ্দিন একজন মেধাবী পুলিশ কর্মকর্তা। পুলিশি কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আলোচিত এই চার পুলিশ কর্মকর্তা স্বস্ব অবস্থানে অবিচল। ত্যাগী এবং সাহসী। পুলিশ বিভাগে এই কর্মকর্তারা মেধাবী বলেই তাদের কাজের সুনাম বয়ে এনেছে নড়াইলে একের পর এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যাচ্ছে এর সাথে জেলা পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জল হচ্ছে। জানা গেছে, নড়াইলে মাদক ও জুয়ার সাথে তীব্রতা বাড়লে ঝড় তুফানের মতো এগিয়ে আসেন, কঠোর হস্তে দমন করেন নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন পিপিএম। যে কোনো হামলা এবং ধ্বংসাত্মক কাজে বেপরোয়া আসামদের সনাক্ত করতে তড়িৎ কাজে লেগে যান তিনি। জেলাতে খুনের ঘটনা ঘটলে কিংবা অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক ছুটে যান এই মহৎপ্রাণ মানুষটি। এই চার পুলিশ কর্মকর্তার নিরলস পরিশ্রম জনমনে স্বস্তি এনে দিয়েছে। অপরাধ জগতের যারা ঘৃণ্য পরিব্রাজক তারা এখন পালাতে শুরু করেছে। এই দৃষ্টান্ত অনন্য, অসাধারণ, অসামান্য। কারণ নড়াইল জেলা পুলিশ মাদকমুক্ত জেলা গড়ার প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে অবিরাম চেষ্টা করে চলেছে। অপরাধকে নিয়ন্ত্রণে আনার এবং অচিরেই নড়াইল জেলাবাসী দেখতে পাবেন একটি অপরাধমুক্ত নড়াইল জেলা। নড়াইলের পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন পিপিএম’র শান্তি বজায় রাখার জন্য যা যা করণীয় সকল ব্যবস্থা করা হবে জানান

Please follow and like us: