, || - ||

ঐক্যফ্রন্টের মিছিলে পুলিশের বাধা

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- নয়া আলো অনলাইন ডেস্ক।

গত ৩০শে ডিসেম্বরের অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে ‘ভোট ডাকাতির নির্বাচন’ আখ্যা দিয়ে এর প্রতিবাদে গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে জেএসডি’র সভাপতি আসম আবদুর রবের নেতৃত্বে প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে মিছিল নিয়ে বের হতে চাইলে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন ফ্রন্ট নেতারা। এসময় নেতাকর্মীরা সরকারের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে প্রেসক্লাবের ভেতরে এসে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আসম রব বলেন, আমরা কেমন দেশে বসবাস করছি সেটা আপনারা সবাই দেখছেন। একটা বিক্ষোভ মিছিল করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ বাধা দিয়েছে। আজকে এই দেশে কেউ স্বাধীন নয়। সবাইকে সরকার বন্দি করে রাখতে চায়।

কিন্তু আমরা এটা হতে দেব না। আমরা আমাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখব। আগামীকাল ৩০শে ডিসেম্বর মৎস্য ভবনের সামনে নাগরিক ঐক্যের উদ্যোগে আমরা বিক্ষোভ সমাবেশ করবো। তিনি বলেন, ভোট ডাকাতি সংবিধানবিরোধী কাজ এবং যারা ডাকাতি করেছেন তাদের সবাই চিনেন। রাস্তাঘাটে পথে-প্রান্তরে যেখানে পারেন তাদের চিহ্নিত করে জনগনকে বলুন চোর যায়, ডাকাত যায়। সরকার কি নির্লজ্জ বেহায়া। ভোট ডাকাতি করে বলে, আমরা ভোট ডাকাতি করিনি। আসম রব বলেন, আমাদের ভোটের অধিকার পুনরুদ্ধার করতে হবে। যেখানেই যাই জনগণ বলে আমাদের ভোট দেয়ার ব্যবস্থা করে দেন আমরা এদেরকে বিদায় করব। জনগণের সরকার কায়েম করে ডাকাতদের রাষ্ট্র ক্ষমতা থেকে বিদায় করতে হবে। স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকার কোন অধিকার এই সরকারের নেই।

বিশেষ অতিতির বক্তব্যে নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ৪৮ বছরে বাংলাদেশের কপালের যত কলঙ্ক তার সবচেয়ে বড় টিকলি আওয়ামী লীগের কপালে। ফোর টুয়েন্টিগিরি বাদ দিন। আমরা যখন মাঠে নেমেছি, আমরা মাঠে থাকবো। গণতন্ত্র উদ্ধার আন্দোলন নামে একটা সংগঠন আমরা করেছি। কালকে মৎস্য ভবনের সামনে আমরা একটা সমাবেশ করবো। স্পষ্ট করে বলতে চাই, গায়ের জোরে ক্ষমতা আমরা মানি না। এই ভোট মানি না, আপনাকে মানি না, আপনার সরকারকেও মানিনা।
তি?নি ব?লেন, পুলিশ ছাড়া আওয়ামী লীগ নাই। পুলিশ জনগণের সন্তান, ওরা মানুষ। সুতরাং ওরা মানুষের পক্ষেই থাকবে। আজকে আমাদের ধিক্কার জানাবার দিন। জাতির ইতিহাসের এত বড় কলঙ্কের তিলক আগে কখনো লাগেনি। যেটা গত বছর ২৯ ডিসেম্বর রাতে লেগেছে। এই ভোট বাতিল করতে হবে, এই সরকার বাতিল করতে হবে, পার্লামেন্ট বাতিল করতে হবে। নেমে যেতে হবে সরকারকে। আজকে সেই শপথ নেয়ার জন্য আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি।

ঐক্যফ্রন্টের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু’র সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিকল্প ধারার সভাপতি অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, তানিয়া রব, এডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, মোস্তাক আহমেদ, শাহ আহমেদ বাদল, গণ দলের চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা চৌধুরী, কাজী আবুল বাশার প্রমূখ।

Please follow and like us: