সোমবার , ১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ৩০শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

করোনা ‘ভয়কে’ দূরে ঠেলে মসজিদে মুসল্লিরা!

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, নয়া আলো।

করোনা আতঙ্কে গোটাবিশ্ব আজ অবরুদ্ধ। বিশ্বের ঘুর্ননগতি থামিয়ে দিয়েছে করোনা ভাইরাস। এ থেকে রোধে যেন মিলছে না কোন সহজ পথ। করোনার থাবায় বিশ্বে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। প্রতিদিন মৃত ও আক্রান্তদের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। করোনা মোকাবিলায় সারা বিশ্ব আজ এক কাতারে। এ মহামারি থেকে মুক্তি পেতে সবাইকে থাকতে হচ্ছে ‘ঘরবন্দি’ হয়ে। এমন পরিস্থিতিতে ধর্ম মন্ত্রণালয় মসজিদে নামাজ আদায়ের বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করে। সীমিত করা হয় মুসল্লি সমাগম।

এক মাসের অধিক সময়ের ব্যবধানে মিসজিদে নামাজ আদায়ের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। আবার ও মুসল্লিদের পদচারণায় দেশের মসজিদগুলোয় প্রাণ ফিরেছে। বৃহস্পতিবার জোহরের ওয়াক্ত থেকে মসজিদে জামাতে নামাজ আদায় শুরু করেছেন সাধারণ মুসল্লিরা।

এর আগে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবজনিত কারণে সারাদেশে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ৪ এপ্রিল এবং ২৩ এপ্রিল বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, জুমা এবং রমজান মাসের তারাবির জামাত সীমিত আকারে আদায়ের জন্য নির্দেশনা দেয়।

এরপর দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামারা পবিত্র রমজানুল মোবারক মাসের গুরুত্ব বিবেচনা করে মসজিদে নামাজ আদায়ের শর্ত শিথিল করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানান। তারই প্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার জোহরের ওয়াক্ত থেকে মসজিদে জামাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার অনুমতি দেয় সরকার।

মাহবুব আলম নামে একজন মুসল্লি বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর। মসজিদে নামাজ পড়ে যে শান্তি পাওয়া যায়, ঘরে নামাজ পড়ে সেই শান্তি পাওয়া যায় না। তই করোনা নিয়ে ভয় থাকলেও মসজিদে নামাজ পড়তে এসেছি। সরকারের দেয়া নির্দেশনা মেনেই মসজিদে নামাজ আদায় করা হয়েছে।

মসজিদে নামাজ আদায় করতে আসা আরেক মুসল্লি বলেন, আমরা যারা নামাজি তারা যেন একটা অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলাম। আজ থেকে মন খুলে মসজিদে আসার পরিবেশ শুরু হয়েছে। আশা করি এটা অব্যাহত থাকবে। আশা করি আমরা সবাই স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলবো।

Please follow and like us: