কুড়িগ্রাম থেকে, রাশিদুল ইসলাম ঃ
কুড়িগ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ফসলের সাথে শত্রুতা করে অসহায় কৃষকের সেচ পাম্প ছিনিয়ে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এতে ৩ একর জমির ইরি-বোরো আবাদ হুমকির মুখে পড়েছে।
জানা গেছে, ৩ মার্চ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার করিমের খামার কৃষ্ণপুর পাইকপাড়া গ্রামে নিজ জমিতে পানি সেচ দিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন কৃষক জহুরুল ইসলাম (৩৫)। আকস্মিকভাবে কৃষ্ণপুর বকসী পাড়ার গ্রামের খাদ্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বাদশা, বাপ্পি মিয়া, দুলাল হোসেন, ফারুক মিয়া ও বিপুল সহ ৩০/৪০ ব্যক্তি সংঘবদ্ধ করে লাঠি-সোঠা নিয়ে হামলা চালায় কৃষক জহুরুল ইসলামের উপর। লাথি-কিলঘুষি এবং এলাপাথারি মারপিটে অজ্ঞান হয়ে পড়ে ওই কৃষক। পরে এলাকাবাসী আহত কৃষক জহুরুল ইসলামকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। তিনি বর্তমানে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী জানান, কৃষ্ণপুর বকসী পাড়ার গ্রামের খাদ্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক কৃষক জহুরুল ইসলামের পিতার নিকট কিছু জমি বন্দক নিয়ে ১২ বছর যাবত ভোগদখল করে আসছিল। হঠাৎ করে মোজাম্মেল হক দাবি করেন ৮৪ শতক জমি ওই কৃষকের বাবার কাছে তিনি ক্রয় করেছেন। এতে কৃষক জহুরুল ইসলাম ঘটনার একদিন আগে জমি ক্রয়ের কাগজপত্র দেখতে চাইলে মোজাম্মেল হক ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারপিট করে। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি জিডিও করেন ওই কৃষক। শনিবার সকালে আবারো দলবল নিয়ে হামলা চালিয়ে কৃষক জহুরুল ইসলামের শ্যালো মেশিন এবং মেশিন ঘর ভেঙ্গে দেয় ও তাকে অমানবিকভাবে মারপিট করে আহত করেন।
এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম আব্দুস সোবহান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, মামলা রুজুর প্রস্তুতি চলছি।
শনিবার , ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ২৯শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
কুড়িগ্রামে কৃষককে মারপিট করে সেচ পাম্প ছিনতাই
প্রকাশিত হয়েছে- প্রকাশ করেছেন- মোহাম্মদ ইমন মিয়া, বাঙ্গরা,কুমিল্লা করেসপন্ডেন্ট।
Please follow and like us: