এস আর সাঈদ, কেশবপুর (যশোর) থেকে:
যশোরের কেশবপুরের মজিদপুর ইউনিয়ন বিবাহ রেজিষ্টারের বিরুদ্ধে কাবিনের কপি না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে লিখিত অভিযোগে জানাগেছে
উপজেলার বারুইহাটি গ্রামের মৃত বাবুর আলী সরদারের পূত্র আব্দুর রশিদ সরদারের সাথে একই উপজেলার পাত্রপাড়া গ্রামের ইজ্জেত আলী সর দারের কন্যা মোছাঃ জোহরা বেগমের সাথে প্রায় ৩৫ বছর পূর্বে ইসলামী শরীয়াত মোতাবেক বিবাহ বিবাহ হয়। দীর্ঘ সংসার জিবনে তাদের ঘরে ৪টি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। ছোট মেয়ে কুলছুমের বয়স যখন ৭ বছর তখন কোন কারণ ছাড়াই ইজ্জেত আলী সরদার আদালতে মামলা করে যাব তিয় খেরপোষ নগদ আদায়-সহ তার কন্যা মোছাঃ জোহরা বেগমকে ছড়িয়ে নেয়।
আদালত মায়ের কাছে থাকা মেয়ে কুলছুমের
বিবাহের পূর্ব পর্যন্ত প্রতিমাসে ৩ শত ৫০ টাকা করে খোরপোষ ধার্য করে যা চলতি জুলাই-২০১৯ পর্যন্ত পরিশোধ রয়েছে। এদিকে গত জুন মাসে কুলছুম খাতুনের বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান মনির উপস্থিতিতে বিবাহ পড়ান মজিদপুর ইউনিয়ন বিবাহ রেজিষ্টার রবিউল ইসলাম।
আদালতে কুলছুম খাতুনের বিবাহের বিষয়টি অবহিত করা হলে আদালত কাবিনের কপি দাখিল করতে বলে। যার ফলে আব্দুর রশিদ সরদার বিবাহ রেজিষ্টার রবিউল ইসলামের নিকট তার কন্যার বিবাহের কাবিনের কপি চায়। বিবাহ রেজিষ্টার রবিউল ইসলাম কাবিনের কপি না দিয়ে বিভিন্ন তালবাহানা করতে থাকে।
উপায়ান্ত না পেয়ে আব্দুর রশিদ সরদার তার কন্যা কুলছুমের বিবাহের কাবিনের কপি উদ্ধারের জন্য সোমবার দুপুরে বিবাহ রেজিষ্টার রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন।