শনিবার , ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ১৪ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

কেশবপুরের সাগরদাঁড়ি সড়কটি চলাচলের অযোগ্য ॥ সংস্কার কাজ শুরু না করলে আগামী মধুমেলার আনন্দ ম্লান হওয়ার আশংকা

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- খোরশেদ আলম চৌধুরী, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট।

এস আর সাঈদ, কেশবপুর (যশোর) থেকে ॥
যশোরের কেশবপুরের সাগরদাঁড়ি সড়কটি চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ বছর সংস্কার না করায় ভারি পণ্যবাহি ট্রাক-লরি চলাচল করায় সড়ক জুড়ে বড় বড় গর্ত তৈরী হয়েছে। ওইসব গর্তে প্রতিদিন যানবাহন আটকে যাওয়ায় পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ক্ষত বিক্ষত সড়কটি জরুরী ভিত্তিতে সংস্কার না করা হলে আগামী মধুমেলার আনন্দ ম্লান হয়ে যাওয়ার আংশকা রয়েছে।
জানাগেছে, কেশবপুর-সাগরদাঁড়ি ১৪ কিলোমিটার সড়ক দিয়ে প্রতিদিন পৌরসভার একাংশ, মজিদপুর, হাসানপুর, বিদ্যানন্দকাটি ও সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের মানুষ চলাচল করেন। সাতক্ষীরা যেতে হাইওয়ের চেয়ে প্রায় ১৫ কিলোমিটার পথ কম হওয়ায় পণ্যবাহি ট্রাক ও অন্যান্য বাহন এ সড়ক দিয়েই যাতায়াত করে থাকেন। এছাড়া সাগরদাঁড়ি মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মভূমিতে দেশী-বিদেশী পর্যটক ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কবি ভক্তরা , স্কুল-কলেজ-সহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান বনভোজনে আসায় সড়কটি সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ এ উপজেলায়। গত কয়েক বছর সড়কটি সংস্কার না করায় ক্ষত-বিক্ষত সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে।
গত ২ বছর পূর্বে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাগরদাঁড়ি মধুমেলায় প্রধান অতিথি হয়ে আসেন। তার আসার সংবাদে উপজেলা প্রকৌশল অফিসের উদ্যোগে সড়কটির বড় বড় গর্তগুলি খুড়ে ইটের খোয়া দেওয়া হয়। এরপর মন্ত্রী হেলিকপ্টারে সাগরদাঁড়ি আসার খবরে সড়কটির সংস্কার কাজ আর শেষ হয়নি। পরবর্তীতে ইটের খোয়া উঠে যেয়ে আবারও গর্তের সৃষ্টি হয়। বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কটি বর্তমান পায়ে হেটেও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। জরুরী ভিত্তিতে সড়কটি সংকার করা প্রয়োজন। সংস্কার না করা হলে আগামী মধুমেলার আনন্দ ম্লান হয়ে যাওয়ার আংশকা রয়েছে।

Please follow and like us: