বৃহস্পতিবার , ৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ১৯শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও সদর উপজেলা এবং গুইমারা উপজেলায় জারি করা ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করেছে প্রশাসন

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- এম দুলাল আহাম্মদ, খাগড়াছড়ি করেসপন্ডেন্ট।

খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও সদর উপজেলা এবং গুইমারা উপজেলায় জারি করা ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করেছে প্রশাসন।জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের জারিকৃত পৃথক প্রজ্ঞাপনে রোববার (৫ অক্টোবর) ভোর ৬টা থেকে এ প্রত্যাহার আদেশ কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।শনিবার সকালে স্থগিত থাকা সড়ক অবরোধও প্রত্যাহার করে জুম্ম ছাত্র-জনতা।
শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়,আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চাহিদার ভিত্তিতে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অপরদিকে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আইরিন আকতার স্বাক্ষরিত অপর এক প্রজ্ঞাপনে গুইমারা উপজেলাতেও জারিকৃত ১৪৪ ধারা প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়।
উল্লেখ্য,খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও সদর উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটায় এবং জনগণের জান ও মালের ক্ষতিসাধনের আশঙ্কা থাকায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ দুপুর ০২.০০ টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও সদর উপজেলায় ফৌজদারী কার্যবিধি,১৮৯৮ এর ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল এবং গুইমারা উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটায় এবং জনগণের জান ও মালের ক্ষতিসাধনের আশঙ্কা থাকায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ দুপুর ০৩.০০ টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গুইমারা উপজেলায় ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর এক মারমা কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে খাগড়াছড়িতে আন্দোলন শুরু হয়। ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি সদর ও গুইমারায় সংঘর্ষ,অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতায় তিনজন পাহাড়ি নিহত হন এবং সেনা ও পুলিশের ১৬ সদস্য আহত হন। গুইমারার রামসু বাজার ও আশপাশে দোকানপাট ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

Please follow and like us: