গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) শূন্য আসনের উপ-নির্বাচনে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা যায়, করোনা আতংকের মধ্যেও সকাল থেকেই নারী ভোটাররা তাদের ভোট দেয়ার জন্য লাইনে দাড়িয়ে আছে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রের বাহিরে প্রার্থীদের নির্বাচনী ক্যাম্প, কর্মী-সমর্থক, ভোটার ও জনগনের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। সেইসাথে ভোটকেন্দ্রগুলোর আশেপাশে অস্থায়ী দোকানপাট বসায় কেন্দ্রগুলোকে মেলায় পরিনত হতে দেখা গেছে।
সকালে পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদ টাউন হলে কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, নারী ভোটারদের দীর্ঘলাইন। একই অবস্থা মাঠের মহদীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ নির্বাচনী এলাকার প্রায় প্রতিটি ভোটকেন্দ্রেই নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল পুরুষদের চেয়ে বেশি।
প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা জানায়, সকাল থেকেই নারী ভোটাররা ভোট দেয়ার জন্য লাইনে দাড়িয়েছে। তবে নারী ভোটারদের পাশাপাশি উল্লেখ্যযোগ্য সংখ্যক পুরুষ ভোটারদেরও ভোট দিতে দেখা গেছে।
গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা-৩ আসনের পলাশবাড়ী উপজেলার ৮ ইউনিয়নসহ একটি পৌরসভা ও সাদুল্লাপুর উপজেলার ১১ ইউনিয়নে মোট ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ৩৫ হাজার ২১১ জন। এর মধ্যে পলাশবাড়ী উপজেলায় ২ লাখ ২০১ জন ও সাদুল্লাপুর উপজেলায় ২ লাখ ৩৫ হাজার ১০ জন। এ দুটি উপজেলায় পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৮ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৫৭৩ জন রয়েছে। এ আসনে উপ-নির্বাচনে ১৩২জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৭৮৬ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও ১৫৭২ পোলিং অফিসার ভোট গ্রহণের দায়িত্বগ্রহণ করেন।
এ আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয়পার্টি ও জাসদসহ মোট ৪ জন মনোনীত প্রার্থী উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করলেও শেষ মূহুর্তে জাসদ প্রার্থী খাদেমুল ইসলাম খুদি (মশাল) আওয়ামী লীগ প্রার্থী এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতিকে (নৌকা) সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সড়ে দাড়ান।
বাকী প্রার্থীরা হলেন,আওয়ামী লীগ মনোনীত এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি (নৌকা), বিএনপির অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক (ধানেরশীষ) ও জাতীয়পার্টির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. মাইনুর রাব্বী চৌধুরী রুমান (লাঙ্গল)।