, || - ||

চুকনগরে কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তরের কর্মকর্তার তরমুজ ক্ষেত পরিদর্শন।

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- গাজী আব্দুল কুদ্দুস, বিশেষ করেসপন্ডেন্ট,খুলনা।

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কুলবাড়িয়া বিলের তরমুজ ক্ষেতগুলো পরিদর্শন করেছেন কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তর খুলনা অঞ্চালের অতিরিক্ত পরিচালক এম,এ গফুরসহ অন্যান কর্মকর্তাবৃন্দ। শনিবার(২১ আগষ্ট) সকালে কর্মকর্তাবৃন্দ সরেজমিনে তরমুজ ক্ষেত পরিদর্শন ও স্হানীয় কৃষকদের সাথে মতবিনিময় করেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট কৃষকদের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের কুলবাড়িয়া বিলসহ বিভিন্ন বিলের মৎস্য ঘেরের আইলে বিগত ২/৩:বছর যাবৎ স্হানীয় চাষীরা ঘেরে মাছ চাষের পাশাপাশি আইলে বিভিন্ন জাতের শাক সবজিসহ অসময়ে এশিয়ান-২, সোনিয়া, ব্লাকবেবি, কানিয়া, তৃপ্তি, রেড ড্রাগন জাতের তরমুজ চাষ করে আসছেন। দেশের দূর দূরান্ত এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা ঘেরেই এসে নিয়ে যাচ্ছে, তরমুজ দিয়ে যাচ্ছে নগদ অর্থ।
ঘেরেই প্রতিকেজি তরমুজের মূল্য জাত ভেদে ২৮-৩৩ টাকা। একবিঘা জমির ঘেরের পাড়ে তরমুজ লাগাতে ৮-১০ হাজার টাকা খরচ হয়। আর জাত ভেদে মাত্র ৬৫-৭০ দিনে উৎপাদম খরচ বাদে ৬০ হাজার টাকা থেকে এক লাখ টাকা লাভ করছেন চাষীরা। লবন সহনশীল ফসল হওয়ায় লবনাক্ত বাগদা ঘেরের আইলে ও অনায়সে চাষ করা যায় তরমুজ। কোন সেচ খরচ লাগেনা, ঘেরের আইলে লাউ, মিষ্টি কুমড়া আবাদের মত পরিচর্যাতেই ভাল ফলন হচ্ছে।
তরমুজের জন্য তৈরিকৃত মাচা পরবর্তী শিমসহ অন্যান্য ফসলে ব্যবহার করা যায় এবং একবার তৈরিকৃত মাচা ২-৩ বছর ব্যবহার করা যায়।
এছাড়া অন্যান্য ফসলের মত এটি বেচতে তেমন কোন সমস্যা হয়না। ক্রেতা (বেপারি) সরাসরি মাঠ থেকে কিনে নিয়ে যান।এ বিষয়ে কুলবাড়িয়া গ্রামের কৃষক আসাদ মোড়ল জানান,শুক্রবার তিনি তার ক্ষেত থেকে ৩০ মন তরমুজ বিক্রি করে প্রায় ৪০ হাজার টাকা পেয়েছেন। এতে তিনি খুবই খুশি। এই তরমুজ চাষ সরেজমিনে পরিদর্শনে আসেন কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক, জি এম এ গফুর।এতে তিনি অত্যন্ত সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন, উপসহকারী কৃষি অফিসার আশুতোষ দাস, প্রকাশ চন্দ্র রায় এবং এলাকার কয়েকজন কৃষক।

Please follow and like us: