সম্প্রতি দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীরা যেভাবে কুমিল্লা থেকে রংপুরের মাঝিপাড়া পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা করেছে, এগুলো কোন বিচ্ছিন্ন বা আকস্মিক ঘটনা নয়। বাঙালীর আবহমানকালের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য চরিত্রগতভাবে অসাম্প্রদায়িক হলেও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অজুহাত সৃষ্টি করে দুই প্রধান ধর্মীয় সম্প্রদায় মুসলমান ও হিন্দুদের ভেতর বিভেদ সৃষ্টি করার মতো ব্যক্তি ও গোষ্ঠী উপমহাদেশে সব সময় ছিল, যা এখনো বিদ্যমান। যা এই অঞ্চলে শুরু হয়েছিল জম্মু-কাশ্মিরে পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যার মধ্য দিয়ে। জম্মু-কাশ্মীরের মতো বাংলাদেশকে হিন্দুশূন্য করার প্রক্রিয়া পাকিস্তান এবং পাকিস্তানের অনুসারীরা ১৯৪৭-এর পর থেকেই গ্রহণ করেছে।
২২ অক্টোবর শুক্রবার দিনাজপুর প্রেসক্লাব সম্মুখ সড়কে বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটি আয়োজিত পাকিস্তানী হামলায় জম্মু-কাশ্মির গণহত্যা স্মরণে কালো দিবস উপলক্ষ্যে মানববন্ধন ও সমাবেশে বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটির অন্যতম সদস্য ও সময়ন্বয়কারী সৈকত পাল এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটি জেলা শাখার সহ-সভাপতি গোলাম নবী দুলাল-এর সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সাইদুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক তৈয়ব উদ্দীন চৌধুরী, দিনাজপুর রাজদেবোত্তর এ্যাস্টেটের এজেন্ট রঞ্জিত সিংহ, বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটি জেলা শাখার সদস্য সচিব রতন সিং, সদস্য আল মামুন বিপ্লব, রাবেয়া খাতুন রানু প্রমুখ।
Please follow and like us: