কাবিখা প্রকল্পের আওতায় (৬) টন ১০০,কেজি চালের বিনিময়ে মাটি ভরাটের কাজ শেষ না করেই (উপজেলা পি আই ও অফিস কর্মকর্তারা) বিল পাস ও উত্তোলনের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত ছবিতে।
যশোর ঝিকরগাছা উপজেলার (১০) শংকরপুর ইউনিয়ন পরিষদ (৪) ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ হাসমত, বিগত ১৯/২০ অর্থ বছরে কাবিখা প্রকল্পোর (৬) টন ১০০ কেজি চালের বিনিময়ে মাটির রাস্তা ভরাটের কাজ দেওয়া হয় মেম্বার হাসমত কে,উক্ত কাজের স্থান নায়ড়া বঙ্গবন্ধু সড়ক সংলগ্ন – ছকুর কালভাট হতে বিলপার মাঠ পর্যন্ত। বিলের ভেতরে ১৩০০, ফুট লম্বা ১২ ফুট চওড়া উচ্চতা (৩) ফুট কাজ করার জন্য বলা হলেও বাস্তবে চিত্র হলো ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার হাসমত সরকারী মাল নিজের আ দরিয়াই ঢেলেছেন ।
ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার হাসমত, উপজেলা থেকে বরাদ্দ দিয়েছেন (৬) টন ১০০,কেজি চালের বিনিময়ে কাজ করেছে।১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পরিমাণ ছবিতে দেখলে বুঝতে পারবেন।
উল্লেখ্য উপজেলা পি আই ও অফিস শুভাগত বিশ্বাস বলেন (১৩০০) ফুট লম্বা (৩) উচ্চতা কাবিখা প্রকল্পে আমি (২৫) শে জুন কাজ চলমান অবস্থায় কাজের স্থান পরিদর্শন করেছি। প্রশ্ন, কাজ শেষ আপনি জানেন??, উঃ প্রকল্প বাস্তবায়ন যাঁরা করেছেন তাহাদের কাছ থেকে আমি জেনেছি প্রকল্পের কাজ সম্পর্ণ করেছেন। সেই জন্য তদারকি না করে ডিও অর্থ ছাড় করানো হয়েছে । এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসক কে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান আমি নতুন যোগদান করেছি। আপনার অভিযোগের ভিত্তিতে আমি ঘটনাস্থাল পরিদর্শন করে তদন্ত পুর্বক দষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্তা গ্রহন করা হবে।