দুধের সমান পুষ্টিকর খাবার টকদই। এতে আছে ভিটামিন, মিনারেল, আমিষ, ভিটামিন ‘বি’, ক্যালসিয়াম ও পটাশ। এতে কার্বোহাইড্রেট, চিনি ও ফ্যাট নেই। টকদইতে ল্যাটিক অ্যাসিড থাকায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া ও কোলন ক্যান্সারের আশঙ্কা কমায়। এটি হজমে সহায়তা করে। টকদইতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ আছে, যা হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করতে সাহায্য করে। কম ফ্যাটযুক্ত টকদই রক্তের ক্ষতিকর কলেস্টেরল এলডিএল কমায়। টকদই দুধের চেয়ে সহজে হজম হয়। যাদের দুধ হজমে সমস্যা তারা দুধের পরিবর্তে টকদই খেতে পারেন। টকদই রক্ত পরিশোধনেও সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা নিয়মিত টকদই খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ডায়াবেটিস ও হার্টের অসুখের রোগীরা নিয়মিত টকদই খেয়ে এসব অসুখ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন। টকদই শরীরে টক্সিন জমতে দেয় না। তাই অন্ত্রনালি পরিষ্কার রেখে শরীরকে সুস্থ রাখে ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। ওজন কমাতে কম ফ্যাটযুক্ত ও চিনি ছাড়া টকদই খাবেন। দইয়ের পর কোনো সফট ড্রিংকস পান না করা উচিত। কারণ তাতে দইয়ের উপকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।
রবিবার , ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ১লা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
টক দইয়ের যত গুণ
প্রকাশিত হয়েছে- প্রকাশ করেছেন- নয়া আলো অনলাইন ডেস্ক।
Please follow and like us: