দেশবরেণ্য চিকিৎসক জাতীয় অর্থপেডিক হাসপাতালের দীর্ঘদিনের পরিচালক (সাবেক) ডুমুরিয়া উপজেলার কৃতিসন্তান প্রফেসর আবদুল গণি মোল্লাহ’র ছোট ছেলে স্পন্দন মোহাম্মদ(১১) গতকাল মঙ্গলবার ভোরে মৃত্যু বরণ করেছে(ইন্না লিল্লাহি…রাজেউন)।
পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, খুব ছোট বেলায় অসুস্থ্যতার এক পর্যায়ে স্পন্দন’র হার্টে একটি ছিদ্র ধরা পড়ে। বিগত ৫-৬ বছর আগে ভারতের একটি চিকিৎসালয়ে তার হার্টে বাই-পাস অপারেশন করিয়ে আনার পর থেকে সে সুস্থ জীবন-যাপন করতো। মাদ্রাসা শিক্ষার্থী স্পন্দন গত ২-৩ দিন ধরে কিছুটা জ্বর ও ঠান্ডায় ভুগছিলো। গতকাল মঙ্গলবার ভোর রাতে হঠাৎ তার গা ঘেমে স্ট্রোকের মতো পরিস্থিতি দেখা দিলে আপনজনেরা দ্রæত জাতীয় হ্নদরোগ ইনিস্টিটিউট হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বিকালে ঢাকা থেকে স্পন্দনের মরদেহ নিয়ে সন্ধ্যার পর ডুমুরিয়া উপজেলার উলা গ্রামের বাড়িতে পৌছালে সে-এক অবর্ণনীয় অবস্থার সৃষ্টি হয়। রাত সাড়ে ৭টায় উলা মাদ্রাসা মাঠে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত জানাযা নামাজ শেষে স্পন্দন-কে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
হাড়’র প্রথিতযশা (পঙ্গু) চিকিৎসক আবদুল গণি মোল্লাহ’র ৩ ছেলের মধ্যে স্পন্দন সবার ছোট। তার এই অকাল মৃত্যুতে পরিবার তথা আপনজনের পাশাপাশি ডুমুরিয়া উপজেলা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসার পাশাপাশি বিভিন্ন পেশার মানুষের মুখে মুখে শোক প্রকাশ করতে শোনা গেছে। এছাড়া অসংখ্য নেতৃবৃন্দ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও শোক জানিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। এছাড়া ডা. গনি মোল্লাহ’র ছোট ছেলে স্পন্দন’র মৃত্যুর খবর শুনে সাবেক মন্ত্রী তথা ডুমুরিয়া-ফুলতলা’র নির্বাচিত সাংসদ ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ও ডুমুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহমেদ-সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করে বিবৃতি প্রদান করেছেন।
Please follow and like us: