শুক্রবার , ১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ১৩ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

ডুমুরিয়ার দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে ব্যবহৃত রাস্তা বন্ধ করে রোস্তমপুর পূর্বপাড়া জামে মসজিদের সীমানা প্রাচীর দেওয়ার চেষ্টা, ১২টি পরিবার গৃহবন্দী হওয়ার আশঙ্কা।

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- গাজী আব্দুল কুদ্দুস, বিশেষ করেসপন্ডেন্ট,খুলনা।
খুলনা ডুমুরিয়া উপজেলার রোস্তমপুর পূর্বপাড়া জামে মসজিদের সীমানা প্রাচীর দিতে গিয়ে ১২টি পরিবার গৃহবন্দী হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় উক্ত পরিবার গুলো চরম হতাশার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। যদি তাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে তাদের গৃহবন্দী হয়ে থাকতে হবে। মুসল্লীরা মসজিদে নামাজ আদায় করতে যেতে পারবে না। মূলতও একটি মহল প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়েই পরিবার গুলোকে কৌশলে গৃহবন্দী করে রাখার চেষ্টা করছে। পূর্বপাড়ায় বসবাসকারী মোঃ ইসলাম উদ্দিন গাজী, মো মোসলেম উদ্দিন গাজী, মোঃ মোক্তার গাজী, মোরফিকুল ইসলাম গাজী, নজরুল গাজী, মোঃ কামরুল গাজী, জিএম ইমরান হোসেন, মোঃ তাজমুল ইসলাম, মোঃ রিপন গাজী, এনামুল গাজী, শিমুল মোড়ল, মাসুদ মোড়ল জানায়, দীর্ঘ ৫০বছরে ধরে আমাদের পূর্বপুরুষগন মসজিদের পাশের রাস্তা দিয়ে চলাচল করে আসছে। মুসল্লীরা মসজিদে নামাজ আদায় করে আসছে। কিন্তু বর্তমান মসজিদ কমিটির কতিপয় ব্যক্তির সাথে আমাদের মনোমালিন্য থাকায় তারা প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান গোলদার, শেখ মনিরুল ইসলামের যোগসাজশে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তাদের দাবি আমরা মসজিদের সীমানা প্রাচীরের বিপক্ষে নই, কারণ মসজিদ তৈরি করার জন্য আমরা সকলে জমি দিয়েছি। যাতে নিজেদের মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করতে পারি। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে আমাদের মসজিদে যাওয়া বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। তবে উত্তর পাশ বরাবর যদি মাত্র ৩হাত জায়গা রেখে সীমানা প্রাচীর দেওয়া হয়, তাহলে পরিবার গুলো রাস্তা চলাচল করতে পারবে। এতে কোন ক্ষতিও হবে না। যদি রাস্তা দেওয়া না হয়, তাহলে তাদের গৃহবন্দী হয়ে থাকতে হবে। মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করাও বন্ধ হয়ে যাবে।
এব্যাপারে সাবেক ইউপি সদস্য শেখ শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা মসজিদের জায়গায় সীমানা প্রাচীর দিচ্ছি। তাতে কার রাস্তা বন্ধ হলো, সেটা দেখার বিষয় না।
Please follow and like us: