ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া ভাইরাসজনিত জ্বর যা এডিস মশার কামড়ে ছড়ায়। সাধারণ চিকিৎসাতেই ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া জ্বর সেরে যায়, তবে হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর মারাত্মক হতে পারে। প্রতিবছর বাংলাদেশে হাজারো মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয় এবং বহু মানুষ মৃত্যুবরণ করে। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া মূলত মশাবাহীত রোগ। এই রোগে আক্রান্ত হলেও মানুষ মৃত্যুবরণ করবে বিষয়টি তেমন নয় ! সচেতনতা ও পর্যাপ্ত চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগ থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব। এই রোগে মোট আক্রান্তের চেয়ে মোট মৃত্যু অনেকটা কম। তাই আক্রান্ত হলে আতঙ্কিত হবেন না।
এডিস মশার বংশ বৃদ্ধি রোধের মাধ্যমে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। ঘর-বাড়ী এবং আশেপাশে যে কোন পাত্র বা জায়গায় জমে থাকা পানি তিনদিন পরপর ফেলে দিলে এডিস মশার লাভা মরে যায় এতে করে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যদিও বাংলাদেশের মানুষ এখনো পর্যন্ত শতভাগ সচেতন নয়। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অবহেলা করার কারনেই মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। অপ্রয়োজনীয় বা পরিত্যক্ত পানির পাত্র ধ্বংস অথবা উল্টে রাখা উচিৎ। যাতে পানি না জমতে পারে। দিনে এবং রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারী ব্যবহার করা উচিৎ।
মূলত বর্ষার মৌসুমেই এ রোগের প্রকোপ অনেক বৃদ্ধি পায়। তাই বর্ষার সময় অধিক সতর্ক থাকা প্রয়োজন আমাদের সকলের। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের যেকোনো লক্ষ্মণ দেখা দেওয়ার সাথে সাথেই অবহেলা না করে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র অথবা হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করার মাধ্যমে নিজেকে এবং পরিবারের সবাইকে সুস্থ্য রাখা সম্ভব বলে আমি মনে করি। সবাই সুস্থ্য থাকুন, নিরাপদে থাকুন। ধন্যবাদ।