দ্রোহের আগুনে জ্বলতে থাকা কষ্ট গুলো কেমন যেন দাবানলের মত পুড়ছে। কষ্টের তীব্রতা হাহাকার করছে। কখনো চাওয়া পাওয়ার হিসেব করিনি। যা ছিল উজাড় করে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। জীবনের ফলাফল নিয়ে কোন দুঃখ নেই। তবে কিছু মানবের স্বেচ্ছাচারিতা দেখলে হাসি থেমে থাকে না। মৃদু হাসি তে কষ্ট গুলি অনুধাবনের চেষ্টা করি।কান্না সে তো কাপুরুষতা কন্ড। কান্না করার সাহস পাই না। তবে গভীর থেকে ফুফিয়ে আশা নিশব্দ আশ্রু গুলি কেও বুঝার বা জানবার চেষ্টা করে না তো। কারণ পৃথিবীতে বাস করা মানুষ্য জাতি বড় স্বার্থপর। সে দিন ২৭/০৩/১৮ আমি নিজের পৈত্রিক সম্পদ বা নিজের দাবি আদায় করতে যাই নি। কারা প্রকোষ্ঠের প্রতিটি সেকেন্ড কতটা তীব্র যন্ত্রণার তা বুঝার বা বলার ভাষা করো নেই বলে¬ চলে। কোন অভিমান অভিযোগ করিনি তো। দীর্ঘ এক যুগ রাজপথ ¯ে¬াগান মুখরিত করতে কাজ করে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে, জননেত্রী মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিষণ বাস্তবায়নে অপশক্তির বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতে তা অব্যহত থাকবে।নিগৃহীত নিকৃষ্ট হাফা কাউয়ারা আমাদের কোনঠাসা করতে পারে না। তারা আমাদের মত কর্মীদের সাথে প্রতিযোগিতা করতে পারে না। তাই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে। তাদের বলি কেন ষড়যন্ত্র করিস। সাহস থাকলে রাজপথে আই প্রতিযোগিতা করি। কিন্তু তোরা আসবি না। কারণ তোরা কাপুরুষ, ভিতু। সৎ সাহস তোদের নেই। তাই বলছি আমাদেরকে আমাদের মত থাকতে দে। তাতে তুরা আরো বেশি লাভবান হবি। কই তোদের মত কাউয়াদের ১০%,১৫%,২৫ %, বৈধ অবৈধ কমিশনে বা তোদের ভাগ বাটোয়ারা তে কখনো যাইনি তো। কেউ বলতে পারবে না কোন অনৈতিক কাজে লিপ্ত আছি। নেতা বা ভুয়া সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করেছি কি? কোন টেন্ডারবাজিতেও আমাদের নাম লিষ্ট পাবি না। শুন ভাই আমরা রাজপথে থাকলে তোদের লাভ, কারণ তোরা আমাদের শক্তি দিয়ে সকল অবৈধ কে বৈধতা দিয়ে চালিয়ে নিয়ে যেতে পারবি।
আরো কিছু চাপাবাজ আছে নিজের কোন কিছু করার সামর্থ্য নেই। চামচামি করে আমাদের বিরুদ্ধে মুখরোচক কথা বলে নেতার কাছে প্রিয় ব্যক্তি হয়ে নেতার নাম বিক্রি করে ধান্ধা করে ব্যাংক ব্যালেন্স করিনি।
হে প্রিয় নেতা মনে রাখবেন পরীক্ষিত কর্মী অভিমানি হয়, বেইমান হয় না।
আর আমরা দিন শেষে জুকের কোণে কয়েক ফুটা অশ্রু নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি।
পরিশেষে কবি গুরু মহাদেব শাহার বাণীতে,
“এই শূন্য ঘরে, এই নির্বসনে
কতোকাল, আর কতোকাল!
আজ দুঃখ ছুঁয়েছে ঘরবাড়ি,
উদ্যানে উঠেছে ক্যাকটাস্ত
কেউ নেই, কড়া নাড়ার মতো কেউ নেই,
শুধু শূন্যতার এই দীর্ঘশ্বাস, এই দীর্ঘ পদধ্বনি ”।
বলতে গেলে অনেক ইতিহাস শেষ হবার নয়। তাতে নিজের কষ্ট আরো বাড়ে।
ভাল থাকুক ভালোবাসার মানুষ গুলি।
জয়বাংলা ¯গানে বেছে থাক সকল ত্যাগী কর্মী।
লেখক মোঃ মনছুর উদ্দিন
কক্সবাজার পৌর ছাত্রলীগ কর্মী
Please follow and like us: