যুগ যুগ ধরে রাস্তাটির অবস্থা নাজেহাল, যতই দিন যাচ্ছে ততই রাস্তাটি খারাপ হচ্ছে। হেঁটে যেতে হলেও পায়ের জুতা খুলে নিতে হয়। এই রাস্তাটির কারণে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যাহত হয় শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া, মুসল্লীরা যেতে পারে না মসজিদে। এই রাস্তার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপন্ন হচ্ছে গ্রামের অর্থনীতিক অবস্থার। গ্রামটিতে অর্ধ শতাধিক পোল্ট্রি ফার্ম ও শতাধিক মৎস খামার রয়েছে। যার খাদ্য সরবরাহ ও উৎপাদিত পণ্যের বিপননের প্রধান যাতায়াত ব্যবস্থা হলো এই রাস্তাটি। রাস্তার এই করুণ অবস্থার কারণে পণ্য উৎপাদন ও বিপনন ব্যাহত হচ্ছে। রাস্তার এ অবস্থায়, জনজীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। বিগত কয়েক বছরধরে চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য রাস্তাটি উন্নয়নের আশ্বাস দিলেও তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি। এমনকি রাস্তাটির বিন্দুমাত্র সংস্কারও হয়নি।
এলাকাবাসী মনে করছেন, একবিংশ শতাব্দীতে এসে যখন আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার সপ্ন দেখি- তখন মাঝেমাঝে মনে হয় ডিজিটাল বাংলাদেশ কি আদৌ সম্ভব? নাকি গ্রামাঞ্চল বাদ দিয়ে গঠন হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ? গ্রামীণ জীবনযাত্রা ও অর্থনীতি সচল রাখতে হলে অতি সত্বর এই রাস্তার সংস্করণ প্রয়োজন।
এবিষয়ে মোক্ষপুরের স্থানীয় বাসিন্দা সবুজ জানান, এই রাস্তাটি কার আমরা জানি না! কে করবে এ রাস্তার মেরামত? রাস্তা সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
মোক্ষপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম বলেন, রাস্তাটি করার জন্য প্রস্তুতি চলছে। খুব দ্রুত সময়ে রাস্তাটির উন্নয়নের কাজ করা হবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, আমি বিজি আছি বলে ফোন কেটে দেন।
শনিবার , ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ১৪ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
ত্রিশালে রাস্তার দূর্ভোগে লালপুর-কৈতরবাড়ী
প্রকাশিত হয়েছে- প্রকাশ করেছেন- স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, নয়া আলো।
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ১১নং মোক্ষপুর ইউনিয়নের বৃহৎ একটি ৬নং ওয়ার্ড গ্রাম লালপুর কৈতরবাড়ী। আর সেখানে যাতায়াতের প্রধান পথ হলো জয়নাতলী বাজার থেকে খোলাবাড়ী বাজার কাচা রাস্তা।
Please follow and like us: