- দাগনভূঁঞা প্রতিনিধি:
ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে দাগনভূঞা উপজেলা সদরের বিপণীবিতান ছাড়াও মফস্বল হাটবাজারের দোকানগুলোতে ক্রেতা সাধারণের সমাগম বাড়তে শুরু করেছে। নিুবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতিতে কষ্টের মাঝে পরিবার পোষ্যদের দাবি আবদারের কারণে ধার-দেনা করে হলেও বিপণীবিতানগুলোতে একবার ক্রয় ক্ষমতার সামর্থ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য মার্কেটে ঢুকছে পরিবারের কর্তারা।
অধিকাংশ বিপণীবিতান মহিলা ক্রেতার সমাগম বেশি। দাগনভূঞা উপজেলা সদরে আতাতুর্ক স্কুল মার্কেট, ইসহাক খায়ের শপিং কমপ্লেক্স, তৈয়বা মার্কেট, আয়েশা মার্কেট, সুলতান মার্কেট ও আজিজিয়া মাদ্রাসা মার্কেটসহ মফস্বলের দরবেশের হাট, রাজাপুর, কোরাইশমুন্সি, বৈরাগীরহাট, সিলোনিয়া, তুলাতলী, গজারিয়া ও বেকের বাজারের মিনি মার্কেটগুলোতে কাপড়, জুতা ও কসমেটিক্স দোকানে ক্রেতা সাধারণের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফুটপাতের মৌসুমি ও ভ্রাম্যমাণ দোকানেও নিুবিত্তদের আনাগোনা আছে। মার্কেট ঘুরে মনে হল দেশীয় পণ্যের চাইতে বিদেশি পণ্যের প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ মাত্রাতিরিক্ত। দোকানদাররা বিদেশি পণ্য পশরা সাজিয়ে বসে আছে। দাম হাঁকা হচ্ছে বেশি। অনেক মার্কেটে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার জন্য রকমারি পুরস্কারের কুপনও ছাড়ছে।
আতাতুর্ক স্কুল মার্কেটের ইসলামীয়া গার্মেন্টস এর মালিক মোহাম্মদ উল্যাহ জানালেন দেশীয় মানসম্মত কাপড়ের চাহিদা রয়েছে। ভারতীয় কাপড়ের চাহিদাও আছে। বিভিন্ন দেশীয় ফ্যাশন হাউস যেমন আড়ং, নিউ আড়ং, এম ক্রাফট, আবর্তন, গ্রামীণ চেক, কুমিল্লার আদি খদ্দের, নিপুন, মেলা, কে-ক্রাফট, ঝলক, দেশ কারুপণ্য, ড্রেসিডেল, পলক ও নোলকের আলাদা বিশেষত্বে দিয়ে তৈরি পন্য সাজিয়েছে রুচি ও মৌসুমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যবসায়ীরা।
মার্কেটগুলোতে পোশাকি রোমিওদের আনাগোনা বেড়েছে। রোমিওদের টিজের কারণে মহিলা ক্রেতারা বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার বলে কলেজ পড়–য়া ছাত্রী খসবুর নাহার দীপ্তি ক্ষোভের সঙ্গে জানান।
দাগনভূঞা থানার ওসি আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে আলাপে জানা গেল স্পর্শকাতর পয়েন্টগুলোতে পুলিশি টহল, মোবাইল পুলিশ, সাদা পোশাকধারী র্যাব ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা অবস্থানে আছে। বিভিন্ন শপিং সেন্টারের ব্যবসায়ী কমিটি এবং ব্যবসায়ীরা এখন পর্যন্ত নিরাপদে আছে বলে জানালেন।
দাগনভূঁঞা পৌর মেয়র ওমর ফারুক খাঁন জানান,দাগনভূঞা বাজার একটি ঐতিহ্যবাহী বাজার।এর সুনাম অক্ষুন্য রাখা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। তাই প্রশাসনের সহযোগীতায় বাজারকে যানজট মুক্ত রাখতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং রমজানের প্রথম দিন থেকে আমরা বাজার মনিটরিং করে যাচ্ছি।