ইতোমধ্যে উপজেলার ফার্মেসী, কাঁচামাল পণ্য, মুদি দোকান বাদে সব দোকান সাময়িক বন্ধ করতে পারলেও পারছেনা নদীপথে ট্রলারে যাত্রীদের চলাচল বন্ধ করতে। যা সম্পূর্ণ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। একটি ট্রলারে একসাথে পাশাপাশি বসে ১৫-২০ জন মানুষ একত্রে যাতায়াত করে থাকে। দ্রুত নারিশা ঘাট দিয়ে ট্রলার বা ইঞ্জিন বোট এবং সকল প্রকার নৌযান চলাচল বন্ধ করতে না পারলে দোহারব্যাপী করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হবার ঝুঁকি থেকেই যাবে।
দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ঠেকাতে ইজিবাইক চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এমনকি বন্ধ করা হয়েছে মৈনট ও নারিশা ঘাট দিয়ে যাত্রী পারাপার সহ সকল কার্যক্রম।
ইঞ্জিনচালিত বোট এবং সকল প্রকার নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করার পরেও আদেশ মানছে না চালকেরা। নারিশা এবং মৈনটঘাট দিয়ে ট্রলারে যাত্রী পারাপার আদৌ বন্ধ করতে সক্ষম হবে কি প্রশাসন? এমনি প্রশ্ন দোহারবাসীর মনে !