মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার পারুলিয়া বাজারের পশ্চিমপাড়ের জিয়নপুর, গুদারাঘাট, বাঘুটিয়া, ধামসর, ইউনিয়নের যমুনার শাখা নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে দিবা রাত্রি ২৪ ঘন্টা চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব। সাথে সাথে এসব বালু চলে যাচ্ছে আশেপাশের বিভিন্ন গ্রামের বসতভিটার কাজে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদী পাড়ের ফসলি জমি, বাড়িঘরসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভাঙন হুমকিতে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
দৌলতপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টি ইউনিয়নই নদী ভাঙন কবলিত এলাকা। প্রতিবছরই নদী ভাঙনের ফলে এসব এলাকার ফসলি জমি, বসতবাড়িসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে ভাঙন ঠেকাতে প্রতিবছরই বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়। অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে এভাবে বালু উত্তোলনের ফলে ভাঙন আরো ত্বরান্বিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে ঘুড়ে দেখা যায় জিয়নপুর ইউনিয়নে যমুনার শাখা নদীর গুদারাঘাট, বাঘুটিয়া সহ বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ ভাবে ড্রেজার বসিয়ে চলছে বালু
উত্তোল। বিকাল হওয়ায় পর থেকেই চলে বালু কাটা।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তিরা জানান, অনেক দিন যাবত ড্রেজার এখানে আনা হয়েছে। বিকালের পর থেকেই ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন শুরু হয়। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে এলাকায় ভাঙন আরও বাড়বে।
এমনিতেই প্রতিবছর নদীতে বাড়ি ঘর ভাঙে। অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে ভাঙন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের নদী পাড়ের মানুষের যে কি কষ্ট তা তো ড্রেজারওয়ালারা বুঝবে না।
এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবিদা সুলতানা বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত অবৈধ ড্রেজার চালকেদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছি। দ্রুতই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মানিকগঞ্জ জেলার নৌ ওসি মিজান বলেন, নদীপথে অবৈধ বালু উত্তোলন অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে কেউ অবৈধ ভাবে বালু করে থাকলে খুব দ্রুতই ব্যবস্থা নিচ্ছি।