কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের গান্দাছি গ্রামে ৫৪ বছর পূর্বে জমি ক্রয় করে পরবর্তীতে বিএস খতিয়ান ও দখল মূলে মালিক থাকার পরও প্রতিপক্ষের দখল চেষ্টায় আদালতের শরণাপন্ন হন মালিক সৈয়দ আহমেদ। আদালতে গিয়েও জমি দখলকারীদের দখল চেষ্টা ও হুমকি ধামকি থেকে রেহাই পায়নি সৈয়দ আহমেদ ও তার পরিবার। সৈয়দ আহম্মেদের মামলার প্রেক্ষিতে আদালত জমিটিতে ১৪৫ ধারা জারি করলেও তা মানছেনা প্রতিপক্ষ গান্দাছি গ্রামের মরহুম আবুল কাশেমের ছেলে জাহাঙ্গীর, মরহুম রমিজ উদ্দিনের ছেলে দুলাল মিয়া, হেলাল মিয়া, মনজু বেগম, হাসিনা বেগম, মরহুম আবুল হাশেমের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক, আবুল কাশেমের ছেলে লিটন, মামুন মিয়া, মরহুম মক্রম আলীর ছেলে আবুল বাশার, জাফর আহম্মেদ। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রতিপক্ষ জমিটি দখল করে খড়ের গাদা ও পিলার স্থাপন করে। এসময় সৈয়দ আহমেদ, নজির আহমেদ, ছালেহ আহম্মেদ ও তাদের পরিবার বাধা দিলে প্রতিপক্ষ দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায় ও হত্যার হুমকি দেয়। এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী সৈয়দ আহমেদ বলেন, আমার পিতা মরহুম মোকসেদ আলী একই বাড়ির মক্রম আলী থেকে ১৯৭২ সালে ৫২ শতক জমি ক্রয় করে। জমিটিতে আমরা ৫৪ বছর দখল থাকার পর এখন বিক্রেতা মক্রম আলীর ওয়ারিশগণ আমাদের জমি দখল করার চেষ্টা করছে। এবিষয়ে আমি গত ২৩ এপ্রিল আদালতের শরণাপন্ন হই। আদালত জমিটি স্থিতি অবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করলে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ এসে স্থিতি অবস্থা বজায় রাখতে বলেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রতিপক্ষ জমিটিতে খড়ের গাদা, বেড়া ও পিলার স্থাপন করে দখল করে। এসময় আমরা বাধা দিলে তারা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ আমাদের উপর হামলা করে এবং হত্যার হুমকি দেয়।
এ বিষয়ে জানতে প্রতিপক্ষের বাড়িতে গেলে তারা বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।