শনিবার , ৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ১২ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

নাঙ্গলকোটে বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলমকে জড়িয়ে অপ-প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন 

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- মাঈন উদ্দিন দুলাল, নাঙ্গলকোট,কুমিল্লা করেসপন্ডেন্ট।
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের হেসাখাল খামার পাড়া এলাকায় জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় খামার পাড়া মজুমদার বাড়ী জামে মসজিদ ইমাম হাফেজ আব্দুল আলিম ভূইয়াকে চাকুরি চ্যুত করার অভিযোগ এনে উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ সভাপতি আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম মজুমদারের বিরুদ্ধে অপ-প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম ও মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ। শনিবার দুপুরে হেসাখাল খামার পাড়া মজুমদার বাড়ী জামে মসজিদ মাঠে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, নাঙ্গলকোট উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ সভাপতি আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার, মসজিদ মোতয়াল্লী চডিয়ার আলিম মাদ্রাসা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা ইউসুফ মজুমদার, হাফেজ আব্দুল আলিম ভূঁইয়ার মামা আব্দুস সাত্তার মজুমদার, মসজিদ মুসল্লী বদিউল আলম, গোলাপ হোসেন, সোলায়মান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মসজিদ মুসল্লী আনোয়ার হোসেন মজুমদার, জামাল উদ্দিন মজুমদার, মাহবুবুল হক মিয়াজী, আহসান উল্লাহ, বোরহান উদ্দিন, ইউসুফ,জসীম উদ্দীন,শাকিল আহমেদ, আহসান উল্লাহ, রবিউল হক, নবীর হোসেন, পেয়ার আহমদ মজুমদার, মহিন উদ্দিন, শাহিন আলম প্রমুখ।
ভুক্তভোগী আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার বলেন,  আমাদের মসজিদের ইমাম হাফেজ আব্দুল আলিম ভূঁইয়া গত তিন বছর ধরে ওই মসজিদে ইমামতি করে আসছেন। তাহার কিছু নৈতিক সমস্যা রয়েছে যার কারণে মসজিদে দু’জন মোতয়াল্লি-সহ  ৮-১০ মুসল্লী তাহার পিছনে নামাজ পড়েন না। সেটা নিয়েও আমার মাথা ব্যথা নেই। আমার সাথে ইমামের খুব ভালো সম্পর্ক। বেতনের বাইরে প্রতিমাসে তাহাকে আমার পরিবারের পক্ষ থেকে ২০০০( দুই হাজার)টাকা করে দিয়ে থাকি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে মহিলা বুথের এজেন্টের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সে একজন ইমাম কিন্তু ঐদিন তিনি মসজিদে নামাজ পড়াননি এবং নিজেও নামাজ পড়েননি। কোন লোকজনকে ও দায়িত্ব দিয়ে যাননি। এটা নিয়ে মুসল্লিদের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। হট্টগোলের কারণে তাহার মামাতো ভাই নাজমুল হক মজুমদার ওনাকে ঐদিন মসজিদে আসতে নিষেধ করেন। তিনি আজ পর্যন্ত আর মসজিদে আসেননি। মসজিদে না এসে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। আমি নাকি উনাকে জামায়াতের এজেন্ট থাকার কারণে মসজিদ থেকে বের করে দিয়েছি। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট। তিনি কারো প্ররোচনায় পড়ে আমার ও আমার দলের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাকান্ড চালাচ্ছে। আমি এর বিচার দেশবাসীর কাছে দিলাম।
মসজিদ মোতয়াল্লী মাওলানা ইউসুফ মজুমদার ও আব্দুস সাত্তার মজুমদার বলেন হাফেজ আব্দুল আলিমের নৈতিক কিছু সমস্যা রয়েছে যার কারণে ওনার পেছনে আমরা নামাজ পড়ি না। উনি যে অভিযোগ করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
স্থানীয় মসজিদ মুসল্লী বদিউল আলম, গোলাপ হোসেন  ও সোলাইমান বলেন জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ইমাম সাহেব মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে।
Please follow and like us: