শনিবার , ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ১৪ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

নাঙ্গলকোটে রাস্তা প্রশস্ত করতে গিয়ে ঘর ভাংলো কৃষকের

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- মাঈন উদ্দিন দুলাল, নাঙ্গলকোট,কুমিল্লা করেসপন্ডেন্ট।

নাঙ্গলকোট-নাথের পেটুয়া সড়ক প্রশস্ত করতে গিয়ে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের জোড্ডা পূর্ব ইউনিয়নের বাইয়ারা গ্রামে এক কৃষকের ব্যক্তি মালিকানাধীন আধা পাকা ঘর ভেক্যু মেশিন দিয়ে ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ উঠেছে এম,ডি,এস,বি নামে ওই সড়কের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে বাইয়ারা গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে কৃষক আবুল কাশেম জেলা প্রশাসক বরাবরে ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিখিত আবেদন করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কৃষক আবুল কাশেম মধ্যপ্রাচ্যের বাহরাইন লেবারের কাজ করতো। সেখানে চাকুরী করে আয়ের টাকা দিয়ে বাড়ীতে একটি আধা পাকা বসত ঘর নির্র্মাণ করে বসবাস করে আসছে। বিদেশে কর্ম হারিয়ে আবুল কাশেম দেশে এসে কৃষি ও দিনমজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। সড়ক ও জনপথ (সওজ) এর একটি সড়ক নাঙ্গলকোট থেকে বাইয়ারা হয়ে নাথের পেটুয়া পর্যন্ত প্রশস্ত করণের কাজ চলছে। সড়ক প্রশস্ত করতে গিয়ে ওই ব্যক্তির মালিকানাধীন জায়গার আধা পাকা বসত ঘর বিনা নোটিশে ভেঙ্গে ফেলে আবুল কাশেমের ৫-৬ লাখ টাকার ক্ষতি করে। যার ফলে গত এক সপ্তাহ যাবৎ কৃষক আবুল কাশেম তিন সন্তান ও পরিবার’সহ খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
এ ব্যাপারে কৃষক আবুল কাশেম বলেন, ঠিকাদারের লোকজন আমাকে কোন প্রকার নোটিশ না দিয়ে হঠাৎ ভেক্যু মেশিন নিয়ে এসে আমার বসত ঘরটি ভেঙ্গে ফেলে। আমি এখন পরিবার নিয়ে প্রচন্ড শীতের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছি। এ ব্যাপারে আমি ক্ষতি পূরণ এবং ওই ঠিকাদারের শাস্তি দাবী করছি।
এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ (সওজ) এর সহকারী প্রকৌশলী আজিম উদ্দিন বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা রাস্তা গুলো ১৮ ফুট করতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে কিছু ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গাও নিতে হচ্ছে। আমি ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক আবুল কাশেমকে মানবিক ভাবে কিছু সহযোগীতা করার জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এম,ডি,এস,বি কতৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি।

 

Please follow and like us: