সোমবার , ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ৭ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

নির্বাচনী এলাকা বাগেরহাট -২ (সদর কচুয়া)  অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ধানের শীষে ভোট দিন- ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেন

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- কামরুজ্জামান শিমুল, বাগেরহাট জেলা করেসপন্ডেন্ট।
অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ধানের শীষে ভোট দিন। অতীতের তিক্ততা ভুলে, পুরোনো বিভাজন পেছনে ফেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী ও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিতে প্রত্যেকটি আসনে যাকেই ধানের শীষের প্রার্থী করা হবে তাকেই ভোট দিতে হবে। বলেছেন বাগেরহাট -২ (সদর কচুয়া) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেন। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাতে গড়া দল বিএনপি পরিবারের একজন সদস্য হতে পেরে তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন। সেই সাথে ধানের শীষের মনোনয়ন পেয়ে তিনি বিএনপি ও বিএনপি’র চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য। তারেক রহমানের নির্দেশনা মোতাবেক বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা এবং তাদের পাশে দাঁড়িয়ে জেলার নেতাকর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন তিনি। সর্বশেষ ইসি বাগেরহাটের ৪টি সংসদীয় আসন থেকে একটি আসন কর্তন করে ৩টি আসন ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করলে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট থেকে ৪টি সংসদীয় আসন ফিরিয়ে আনেন “রত্নাগর্ভা” মায়ের সন্তান ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেন। পুলিশের হাতে গ্রেফতার ও রিমান্ডে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারা ভোগ করেছেন বাগেরহাটের এই কৃতি সন্তান।
বাগেরহাট পৌর বিএনপি’র সাথে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের এক জবাবে তিনি বলেন, বিএনপি নেতৃবৃন্দের মধ্যে দলের বিভিন্ন পদ এবং মনোনয়ন পেতে প্রতিযোগিতা রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নেতার সাথে কর্মী-সমর্থকেরা সময় দিয়েছে। তার মানে এই না যে তারা দলের মধ্যে গ্রুপিং কিংবা বিবাদে লিপ্ত রয়েছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ঘোষণার পরপরই সকল নেতাকর্মী ও সমর্থক ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে। ধানের শীষ প্রতীক বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ভালোলাগা ও ভালোবাসার প্রতীক।  বাগেরহাটে বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সকলেই ঐক্যবদ্ধ।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার শেখ মোঃ জাকির হোসেন বলেন, এ অঞ্চলের মানুষ অবহেলিত। বিগত সরকার নামেই উন্নয়ন করেছে, কোথাও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। কোটি কোটি টাকা লুটপাট করে তারা আজ পালাতক ও দেশান্তর। তারা সাধারণ মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। রাস্তাঘাট সব ভাঙাচোরা, চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে, শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। বিএনপি নিপীড়নের নামে এ অঞ্চলের নেতাকর্মীদের উপর ষ্টীম রুলার চালিয়েছে আওয়ামী সরকার ও তার প্রশাসন। চাঁদাবাজ ও দখলদারিত্বের উৎসব পালন করেছে তারা। বিরোধী মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের বরাদ্দ এবং দরিদ্রের টাকা চাল ইত্যাদি আত্মসাৎ করে রেকর্ড গড়েছিল তারা।
তিনি আরো বলেন, এ অঞ্চলের মানুষ শান্তিপ্রিয়। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে চাঁদাবাজ সন্ত্রাস ও লুটপাট এর বিরুদ্ধে ভোট দিবে তারা। নির্বাচিত হলে স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়ন ও একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে। এ অঞ্চলের পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানোসহ বেকারত্ব দূরীকরণে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। চাঁদাবাদ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বাগেরহাটে বিমানবন্দর চালু করা হবে। জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা, দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষণ আইন, হিন্দু ফাউন্ডেশন গঠন এবং জাতীয় জীবনের সব স্তরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যথাযথ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হবে।
স্বাধীন বিচার বিভাগের মাধ্যমে জাতি ন্যায় বিচার পাবে। সূদ-ঘুষের রমরমা ব্যবসা বন্ধ হবে। অফিস-আদালত হবে শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত। “প্রার্থী যেই হোক, ধানের শীষে ভোট চাই; বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের জন্য দোয়া চাই।” ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ ও প্রায় সহস্র প্রাণের বিনিময়ে পরাধীনতার শৃংখল ভেঙে নতুন সূর্য উদিত হোক, প্রতিষ্ঠা হোক স্বপ্নের নতুন এক বাংলাদেশ।
Please follow and like us: