বুধবার , ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ৪ঠা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে নাতনীকে ধর্ষনের দায়ে নানা গ্রেফতার

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- মোঃ ইনামুল হাসান নাইম, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ,ঢাকা।

সুকুমার দাস বাবু, পঞ্চগড় প্রতিনিধি ঃ
পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে ৭ বছর বয়সী নাতনীকে ধর্ষনের দায়ে নানার ঠাই হয়েছে শ্রীঘরে।
অনৈতিক ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের পুরাতন আটোয়ারী (বন্দরপাড়া)
গ্রামে। অভিযুক্ত নানা উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের রাণীগঞ্জ (দোহসুহ) গ্রামের জনৈক মৃত:
মকসেদ আলীর পুত্র মো: খালেক (৬৩)।
ভিকটিম ওই গ্রামের জনৈক দিনমজুর মো: তৈয়ব আলীর মেয়ে লিজা (৭) এবং সম্পর্কে খালেক
ভিকটিমের মায়ের আপন মামা।
ভিকটিম ও তার পরিবার এবং পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, খালেক ১৪ মে দুপুরে বেড়াতে আসে তার
ভাগ্নী নীহার বানু ওরফে সুন্দরীর বাড়িতে। মামাকে খেতে দেওয়ার মতো বাড়িতে কিছু না
থাকায় পার্শ্ববর্তী দোকানে খাবার আনতে যায় সুন্দরী। এসময় বাড়িতে নানার সাথে একাই
ছিল লিজা। বাড়িতে অন্যরা অনুপস্থিত থাকার সুযোগকে কাজে লাগায় নানা। এসময় মেয়েটির
আত্ম চিৎকার শুনে কাকতালীয়ভাবে বাড়ির বাইরে থাকা জনৈক মো: নায়েব আলীর স্ত্রী মোছা:
রাশেদা বেগম এগিয়ে যান এবং ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেন। ততক্ষণে লিজার মা দোকান থেকে
বাড়িতে এসে পৌছান এবং মেয়েকে ভীতিকর অবস্থায় তার পড়নের প্যান্ট হাতে নিয়ে আকা-
বাকা পায়ে ঘর থেকে বের হতে দেখেন। কি হয়েছে মেয়েকে জিজ্ঞেস করলে নানার কুকর্মের কথা
অকপটে বলে দেয় এই অবুঝ শিশুটি। মেয়ের কথা শুনে মা এবং প্রতিবেশী রাশেদা প্রথমে হতবাক
হন। পরে তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে। নানাকে উত্তম-মধ্যম দিয়ে ঘরে ভিতর আটক
করে রাখেন।
খবর পেয়ে, আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন সুলতানা পুলিশকে সাথে নিয়ে
দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছান। মেয়েটির সাথে তিনি সরাসরি কথা বলে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা
করেন ও অভিযুক্তকে থানায় সোপর্দ করেন। এ ব্যাপারে আটোয়ারী থানার অফিসার ইনচার্জ মো:
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ধর্ষনের আলামতের বিষয়টি ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্ট ছাড়া বলা যাবেনা এবং
মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Please follow and like us: