বৃহস্পতিবার , ২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ৫ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

পেঁয়াজের ডাবল সেঞ্চুরি, চার মাসে দাম বেড়েছে ২৫ বার

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

মেহেদী হাসানঃ-  পেঁয়াজের বাজারে চলছে রীতিমতো নৈরাজ্য। সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি থাকায় এর অপব্যবহার করছেন সুযোগসন্ধানী কিছু ব্যবসায়ী। এখন কেজিপ্রতি পেঁয়াজের জন্য গুনতে হচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত, যা এক দিন আগেও ছিল ১৭০ টাকা।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, কেজিপ্রতি পেঁয়াজের জন্য গুনতে হচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত, যা এক দিন আগেও ছিল ১৭০ টাকা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে কেজিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৩০ টাকা। দেশি বা আমদানি—সব ধরনের পেঁয়াজের দামেই ঊর্ধ্বগতি।

পাইকারি বাজারে মিসর থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর মিয়ানমার থেকে আনা ভালো মানের পেঁয়াজের দাম ছুঁয়েছে ২০০ টাকা কেজি। আর মিয়ানমার থেকে আনা মাঝারি মানের পেঁয়াজের দর ১৬০ টাকা কেজি। বেশ কয়েকটি বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের পেঁয়াজ আমদানির কথা থাকলেও এখনো তা এসে পৌঁছায়নি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীদের দাবি, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকার কারণে পেঁয়াজের দাম না কমে বাড়ছে। এদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, ইচ্ছেমতো দাম রাখছেন বিক্রিতারা। তারা বলছেন, দামের ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস তাদের।

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে গত চার মাস ধরে বেড়েই চলেছে পেঁয়াজের দাম। সরকারিভাবে বাজার তদারকি হলে দাম নিয়ন্ত্রণে থাকতো।

রাজধানীর শ্যামবাজারের পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি আকারভেদে ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা, মিয়ানমারের পেঁয়াজ মানভেদে ৮০ থেকে ১৬০ টাকা, মিশরের পেঁয়াজ ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। কারওয়ান বাজারের পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজ আকারভেদে ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা ও মিশরের পেঁয়াজ ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে, গাজীপুরের মাওনা স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজ কেজি প্রতি ২২০ থেকে ২৩০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বর্তমানে পেঁয়াজ যেন দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছে দুর্লভবস্তু! 

Please follow and like us: