রবিবার , ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ২৭শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

প্রশিক্ষণ পেলে নারীরা আর পিছিয়ে থাকবে না: ভূমিমন্ত্রী মিনু

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী, করেসপন্ডেন্ট।

কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে নারীরা আর পিছিয়ে থাকবে না এবং অর্থনৈতিক সংকটে ভুগতে হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু।
শনিবার (১৩ জুন) রাজশাহীর জীবনতরী টেকনিক্যাল ট্রেনিং একাডেমির হলরুমে জাতীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন তহবিল (এনএইচআরডিএফ) প্রকল্পের আওতায় তিনটি প্রশিক্ষণ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার বিকল্প নেই। নারীদের দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকা-ে সম্পৃক্ত করা গেলে পরিবার, সমাজ ও জাতীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। তোমরা প্রশিক্ষিত হও, সরকার তোমাদের পাশে আছে। বিভিন্ন ব্যাংকও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।
তিনি উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আজকের পর থেকে নারীরা আর পিছিয়ে থাকবে না, অসহায় থাকবে না। এ সময় উপস্থিত শতাধিক নারী প্রশিক্ষণার্থী উচ্ছ্বাসের সঙ্গে তাঁর বক্তব্যে সাড়া দেন।
জীবনতরী টেকনিক্যাল ট্রেনিং একাডেমির চেয়ারম্যান মারুফ হোসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন তহবিলের পরিচালক ও সিইও তৌহিদুর রহমান। তিনি বলেন, নারীর দক্ষতা বৃদ্ধি শুধু পরিবারের নয়, পুরো সমাজের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নারীরা আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পাশাপাশি উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আব্দুল হাকিম, ভাস্কর হালদার, খাদিজা খাতুন, ওয়ালিউল হক রানা, শাহিনুর ইসলাম মুকুলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জীবনতরী টেকনিক্যাল ট্রেনিং একাডেমির নির্বাহী পরিচালক মারুফ হোসান বলেন, সরকারি সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে আরও এক হাজারের বেশি নারীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা সম্ভব হবে। তিনি জানান, এই কর্মসূচির মাধ্যমে নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্যোক্তা তৈরি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
তিনি আরও জানান, প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী বাংলাদেশি নারীরা অংশ নিতে পারবেন। তিন মাস মেয়াদি এই প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা অথবা চাকরির উপযোগী করে প্রস্তুত করা হবে। দরিদ্র, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, অর্থ বিভাগের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের সার্বিক তত্ত্বাবধান করছে জাতীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন তহবিল (এনএইচআরডিএফ)।

Please follow and like us: