রবিবার , ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ১লা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

বগুড়া শাজাহানপুরে পুজামন্ডপের জন্য বরাদ্দকৃত টি,আর প্রকল্পের চাল  নিয়ে চালবাজি \\ ক্রেতা সিন্ডিকেটের জাঁতাকলে পুজামন্ডপ কর্তৃপক্ষ

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- বিল্লাল হোসেন, দেবিদ্বার,কুমিল্লা করেসপন্ডেন্ট।
  বগুড়া শাজাহানপুরে পুজামন্ডপের জন্য বরাদ্দকৃত টি,আর প্রকল্পের চাল নিয়ে চালবাজিতে ক্রেতা সিন্ডিকেটের জাঁতাকলে পড়েছে পুজামন্ডপ কর্তৃপক্ষ। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ব্যবহার করে ক্রেতা সিন্ডিকেটের লোকজন নির্ধারিত বাজার মূল্যের চেয়ে চালের দাম কম দেয়ায় পুজামন্ডপের ব্যয়ভার বহন করা নিয়ে তারা বিপাকে পড়েছেন। সরকারী অফিস ব্যবহার করে বরাদ্দকৃত চাল ক্রয়-বিক্রয়ের বিষয়টি জনসাধারণের মাঝে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। হিন্দু ধর্মের বাৎসরিক মহোৎসব শারদীয় দূর্গাপুজা উপলক্ষে উপজেলার ৫৪টি পুজা মন্ডপের প্রতিটি মন্ডপের জন্য সরকারীভাবে টি,আর প্রকল্পের আধা টন তথা ৫০০কেজি করে সর্বমোট ২৭টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রতিটন চালের বাজার মূল্য ৪০/৪৫হাজার টাকা হলেও ক্রেতা সিন্ডিকেট ৫’শ কেজি চালের দাম দিচ্ছে ১৫হাজার ৫’শ টাকা। যা বাজার মূল্যের চেয়ে তুলনামূলক সাড়ে চার থেকে ৫হাজার টাকা কম। ডোমনপুকুর হিন্দুপাড়া পুজামন্ডপের সভাপতি সুকুমার প্রাং বলেন তিনি আধা টন টি,আর-এর চালের ডি,ও বিক্রী করে ১৫হাজার ৫’শ টাকা পেয়েছেন। যা দিয়ে পুজামন্ডপের ব্যয় বহন করা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়বে। এ বিষয়ে ডি,ও ক্রেতা নেছার উদ্দিন, ফজলুল হক, রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু সহ তাদের লোকজন জানান, নির্ধারিত বাজার মূল্যেই তারা চালের ডি,ও ক্রয় করছেন। এতে কোন কারচুপির সুযোগ নাই। এ বিষয়ে উপজেলা পুজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি নীরেন্দ্র মোহন সাহা বলেন তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় সেক্রেটারী সাহেব সবকিছু ডিল করেছেন। সাধারণ সম্পাদক তপু কুমার সরকার তাপস জানান, ডি,ও বিক্রয়ে ভালো ক্রেতা না পাওয়ায় তারা স্বল্প মূল্যে ডি,ও বিক্রয় করতে বাধ্য হয়েছেন। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। বিষয়টি সম্পর্কে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এস,এম সাইফুল ইসলাম জানান, সিন্ডিকেট করে কোন কার্যালয়ে ডি,ও ক্রয়-বিক্রয় করা অন্যায়, এমনটি যেন আর না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে সতর্ক করে দেয়ার কথা বলেন তিনি।  এ বিষয়ে পি,আই,ও কর্মকর্তা জানান, বরাদ্দকৃত প্রকল্পগুলো সঠিকভাবে বিতরণ করাই তাদের কাজ। ক্রয়-বিক্রয় সম্পর্কে তারা কেউ জড়িত নন বা কিছুই জানেন না। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা পারভীন জানান আমি একটি জরুরী মিটিং-এ আছি। বিষয়টি খাদ্য কর্মকর্তাকে জানান।
Please follow and like us: