, || - ||

বিএনপি ক্ষমতায় বাদল মোড়লকে কারা হত্যা করল? কেন হত্যা করল- প্রশ্ন কেন্দ্রীয় নেতা শফিকুল ইসলামের

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- কামরুজ্জামান শিমুল, বাগেরহাট জেলা করেসপন্ডেন্ট।

বিএনপি ক্ষমতায় বাগেরহাট জেলা সদরের বারুইপাড়া ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি বাদল মোড়লকে কারা হত্যা করল? কেন হত্যা করল? মসজিদের ইমাম সাক্ষ্য দিয়েছে তিনি নিয়মিত নামাজ পড়তেন, সবার আগে মসজিদে যেতেন। সাংগঠনিকভাবে সে ছিল খুবই দক্ষ। বাগেরহাট খুলনা এবং ঢাকাতে সরকার বিরোধী আন্দোলনে তার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তাহলে কেন এই হত্যা? কি অপরাধ ছিল তার?

বুধবার (৮ জুলাই) বেলা ১১ টায় জেলা কৃষক দলের আয়োজনে বারুইপাড়া ইউনিয়নের আড়পাড়া বাজারে বারুইপাড়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি বাদল মোড়ল হত্যার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কথাগুলো বলেছেন কেন্দ্রীয় কৃষক দলের দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক। এ সময় তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সময়ে বাগেরহাটে বিএনপি নেতারা সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছে। একটি রাতের জন্য তারা বাড়িতে ঘুমাতে পারে নাই। তিনি প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, কোন তামাশা দেখতে চাই না। অনতিবিলম্বে বাদল ত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কৃষক দলের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং খুলনা জেলা কৃষক দলের সভাপতি মোল্লা কবির হোসেন।

সদর উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি ফিরোজ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক দলের সভাপতি আসাফউদ্দৌলা জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক ফকির তৌহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান শিমুল, বারুইপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক এম এ মান্নান, সদর উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক হাওলাদার রফিকুল ইসলাম, ফিরোজ শেখ, জাকির হোসেন মোড়ল, আল মামুন মুক্তি, শেখ আসাদ, শেখ শহিদুল ইসলাম সহ স্থানীয় বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এর আগে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে বাদল মোড়লের কবর জিয়ারত, আত্মার মাগফেরাত কামনা শেষে তার বাড়িতে উপস্থিত হন কেন্দ্রীয় কৃষক দলের দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক। এ সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের সান্তনা প্রদান করেন এবং বাদল-মোড়লের চারটি সন্তানের লেখাপড়া দায়িত্ব গ্রহণ করেন শফিকুল ইসলাম শফিক।

Please follow and like us: