মঙ্গলবার , ২৮শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ১০ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী, করেসপন্ডেন্ট।

রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল ইসলামকে প্রত্যাহারের দাবিতে মহানগর যুবদলের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার দুপুর ১২টায় নগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন শেষে ওসির প্রত্যাহারের দাবিতে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) পুলিশ কমিশনার বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়। কমিশনার ছুটিতে থাকায় তার পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন আরএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ আল মামুন।
মানববন্ধনে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা বক্তব্য দেন। তারা অভিযোগ করেন, গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিকদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জেরে শনিবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নগরীর চন্দ্রিমা থানার (১৯ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণের) যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নিজাম আলীকে গ্রেফতার করে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ।
বক্তারা দাবি করেন, টার্মিনাল এলাকায় সংঘর্ষের প্রকৃত আসামি বাসচালক মিজানুর রহমান মিজান। তবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে যুবদল নেতা নিজাম আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তাদের ভাষ্য, নিজাম আলীকে গ্রেফতারের পর মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম রবি-সহ নেতাকর্মীরা থানায় গিয়ে ওসির কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, নিজাম আলী টার্মিনাল মামলার আসামি। পরে মামলার বাদী মোঃ আবুল কাশেম টুলু থানায় উপস্থিত হয়ে নিজাম আলী মামলার আসামি নন এবং তাকে ভুলবশত গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান। এরপরও তাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়। পরে তাকে বিষ্ফোরক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
মানববন্ধনে আরও অভিযোগ করা হয়, বোয়ালিয়া থানা এলাকায় মাদক, কিশোর গ্যাং, হামলা-ভাঙচুর, লুটপাট ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির নানা ঘটনা ঘটলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বক্তারা দ্রুত বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসিকে প্রত্যাহার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি রবিউল ইসলামের বক্তব্য জানা যায়নি।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোঃ আল মামুন বলেন, পুলিশ কমিশনার স্যার ছুটিতে আছেন। তিনি অফিসে যোগদানের পর বিষয়টি আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please follow and like us: