তুলতুল হাছান/জামাল উদ্দিন:- মুক্তিপণের টাকাসহ হাতেনাতে আটকের পর ছেড়ে দিলো নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ! স্থানীয় সাংবাদিকদের ম্যানেজ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ৩১ মার্চ শনিবার রাতে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার মোকারা ইউনিয়নের তৈতিয়া গ্রামের উত্তর পাড়ায় হারুনের বাড়িতে। জানা গেছে, তৈতিয়া গ্রামের প্রবাসী মনিরের মেয়ে পলি নাঙ্গলকোট হাসান মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজে দ্বাদশ শ্রেনীতে অধ্যয়নরত। পলির সাথে পাশ^বর্তী ছুপুয়া গ্রামের ছবির আহমদের ছেলে মোবারক হোসেনের সাথে দীর্ঘদিন যাবত প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ঘটনার দিন পলি মোবারককে রাতের খাবারের দাওয়াত দেয়। দাওয়াতের ডিনার খেয়ে বাড়িতে ফেরার পথে তৈতিয়া গ্রামের মাসুদ পিতা-মৃত আবদুল মালেক, বাবু পিতা-আবদুস সোবহান, রাসেল-পিতা-আবদুস সাত্তার, হেদায়েত পিতা-মোসলেম, মাসুম পিতা-অজ্ঞাতসহ কয়েকজন যুবক মোবারককে গতিরোধ করে আটকিয়ে মারধোর করে ১৫ হাজার টাকা দাবী করে। মোবারক নিজেকে আত্মরক্ষার জন্য ১৫ হাজার টাকার দেওয়ার জন্য তার বাবা ছবির আহমদকে কল দিলে,তার বাবা যুবক ছেলেদের (মুক্তিপন আদায়কারীদের) জানায় নাঙ্গলকোট পৌরসদরের আল্টা মর্ডাণ হসপিটালের কাছে গেলে টাকা দিবে। কিন্তু আল্টা মর্ডাণ হসপিটালের কাছে গেলে যুবক ছেলেদের টাকা দেওয়া অবস্থায় নাঙ্গলকেট থানার এস আই ছায়েদুল হকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। যুবকদের থানায় এনে এক রাত একদিন রেখে ১ লাখ টাকা আদায় করে গত ১ এপ্রিল তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে এস আই ছায়েদুল হক( ০১৮১৮-৯০৮৭৯৯) আমাদের প্রতিবেদক তুলতুল হাছানকে জানান-আপনি ওসি তদন্ত আশরাফুল ইসলামের সাথে কথা বলেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ওসি (তদন্ত) আশরাফ (০১৮৬৫-০৮২৮১০,০১৭১১-৪৪৭৬৭০)কে বারবার কল দিলেও ওনার ফোন বন্ধ থাকায় কোন প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।
, || - ||
মুক্তিপণের টাকাসহ হাতেনাতে আটকের পর ছেড়ে দিলো নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ!
প্রকাশিত হয়েছে- প্রকাশ করেছেন- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
Please follow and like us: