শনিবার , ৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ১২ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

মেডিকেলে ভর্তির অনিশ্চয়তায় থাকা ফারজানার পাশে জেলা প্রশাসক-মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- আশরাফুল ইসলাম জয়, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ।

দরিদ্র তাঁত শ্রমিকের মেয়ে ফারজানা মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও পড়াশোনার খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছিল। তবে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কল্যাণে প্রাথমিকভাবে সেই শঙ্কা দূর হয়েছে। বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসক মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, ফারজানার ভর্তির খরচ বাবদ ৪০ হাজার টাকা দিয়েছেন।

মেডিকেলে ভর্তির খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা তুলে ধ‌রে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন ফারজানা, তার আবেদন যাচাই-বাছাই ক‌রে বুধবার ২‌৪ মে দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান তাঁর কার্যালয়ে ফারজানা‌কে ডেকে নিয়ে মেডিকেলে ভর্তির খরচ বাবদ ৪০ হাজার টাকা তুলে দেন।

ফারজানা বলেন, মেডিকেলে ভর্তি ও পড়াশোনার খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল আমার। জেলা প্রশাসক আমার আবেদনের প্রেক্ষিতে ফোন করে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। পাশে থাকার সাহস জুগিয়েছেন। এ ছাড়া জেলা প্রশাসক ভর্তি ও পড়াশোনার খরচ বাবদ নগদ ৪০ হাজার টাকা দিয়ে সহায়তা করেছেন।

ফারজানা সিরাজগঞ্জ বেলকু‌চি উপজেলার চালা উত্তর পাড়া গ্রামের তাঁত শ্রমিক মোঃ রাজ্জা‌কের মেয়ে।

২০২১ সালে বেলকুচি বহুমুখী মহিলা কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এইচ এসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মেডিকেল এ ভর্তি হওয়ার জন্য আবেদন ক‌রেন। গত ইং ১০/০৩/২০২৩ তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ফলশ্রুতিতে উক্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মাগুরা মেডিকেল কলেজ এ ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান।

ফারজানার বাবা দিনমজুরের কাজ করেন। মা পারভীন‌কেও অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালাতে হয়। ১০ম শ্রেণি থেকেই টিউশনি করে নিজের পড়াশোনার খরচ চালিয়ে‌ছেন ফারজানা।

জেলা প্রশাসক মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, আ‌মি ফারজানার অভাব অনটনের কথা জানতে পারি। এরপর ফারজানার মেডিকেলের ভর্তির যাবতীয় খরচ আমি দিয়েছি। ভবিষ্যতেও তাঁর পড়াশোনার জন্য জেলা প্রশাসন পাশে থাকবে।

Please follow and like us: