, || - ||

যোগদানের পর থেকে দেশ ও জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করার শপথ নিয়েছি এসআই নাহিদ

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
যোগদানের পর থেকে জীবন বাজি রেখে দেশের স্বার্থে এ বাহিনীর সম্মান অক্ষুন্ন রেখে কাজ করে যাবো এসআই নাহিদ চাঁদপুরের মতলব উত্তরে ১ মাসে ঘটেযাওয়া চাঞ্চল্যকর দুই হত্যা কান্ডের রহস্য উন্মোচন ও আসামীদের গ্রেফতার করে আলোচনায় মতলব উত্তর থানার সহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) নাহিদ। গত ১৩ মার্চ উপজেলার রায়পুর ইসলামাবাদ গ্রামের আব্দুল কাদীরের পুকুর থেকে একটি লাশ উদ্ধার করে মতলব উত্তর থানা পুলিশ ,যার মামলা নাম্বার ১১, তারিখ ১৩ মার্চ ২০২০ইং ।
পরবর্তীতে লাশটির পরিচয় এবং হত্যা কান্ডের রহস্য উদঘাটনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বপালন করেন এস আই নাহিদ। মৃতদেহ উদ্ধারের ২৪ ঘন্টার মাথায় হত্যা কান্ডে জড়িত দুই আসামী আরিফ ও সবুজ কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন তিনি। ওই ঘটনায় জানা যায় , অটোরিকশা বিক্রির ১ লাখ টাকা আত্মসাত করতে এ্যানার্জি ড্রিংকের সঙ্গে ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে তাকে প্রথমে দুর্বল করে পরবর্তীতে শ্বাষরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন আসামীরা।
একই মাসের ২৮ তারিখে (২৮ মার্চ ২০২০ইং) মতলব উত্তর থানায় কাকলী নামে ৯ম শ্রেনীর এক শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছেন বলে একটি সাধারণ ডায়রি দায়ের করেন কিশোরীর মা। পরবর্তীতে ২২ এপ্রিল ওই কিশোরীর (কাকলী) মাথা বিহীন লাশ উপজেলার পূর্ব ইসলামাবাদ এলাকার অক্সফোর্ড কিন্ডারগার্টেন স্কুল থেকে উদ্ধার করে মতলব উত্তর থানা পুলিশ।পরবর্তীতে একটি হত্যা মামলার দায়ের করা হয় , যার নাম্বার ১৮, তারিখ ২২ এপ্রিল ২০২০ ইং ।
এ ঘটনায় এ এসপি আহসান হাবিব (মতলব জোন) মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব প্রদান করেন এসআই নাহিদ হোসেনকে। লাশ উদ্ধারের পরবর্তী ২৪ ঘন্টার মধ্যে কিশোরীর বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার ও হত্যাকান্ডে জড়িত প্রধান আসামী সাইফুদ্দিন কে আটক করতে সক্ষম হন মতলব উত্তর থানার চৌকস এই অফিসার। আটককৃত সাইফুদ্দিন উপজেলার পূর্ব ইসলামাবাদ এলাকার রাসেল পাটোয়ারীর ছেলে বলে জানাগেছে। জানা যায়, হত্যাকান্ডের শিকার নিহত কাকলীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো আসামী সাইফুদ্দিনের।
অপরদিকে ২০১৯ সালের ১৮ জানুয়ারী উপজেলার ঘাসিরচর এলাকায় ভোর ৪ টায় একটি লাশবাহী এ্যাম্বুলেন্সে (ঢাকা মেট্রো-চ-০২-০৫৩৯) ডাকাতির ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ৫২ দিনের মাথায় ডাকাতির সাথে জড়িত ঘটনার প্রধান আসামী উপজেলার খালপাড় দুর্গাপুর গ্রামের মৃত বাহার আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলীকে কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলা থেকে আটক করেন এসআই নাহিদ। উল্লেখ্য তৎকালীন সময়ে একই থানায় উপ-সহকারী পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি।
এছাড়াও বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে উপজেলার প্রথম করোনা রোগীকে হাসপাতালে স্থানান্তরের কাজে ভুমিকা পালন করেছেন।
এসআই নাহিদ বলেন, পুলিশ বাহিনীতে যোগ দানের পর থেকে দেশ ও জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করার শপথ নিয়েছি। জীবন বাজি রেখে দেশের স্বার্থে এ বাহিনীর সম্মান অক্ষুন্ন রেখে কাজ করে যাবো ।
উপজেলাটিতে ঘটে যাওয়া এ সকল আলোচিত ঘটনার রহস্য উদঘাটনে এস আই নাহিদের ভূমিকা প্রশংসনীয় বলে মন্তব্য করেন এ এস পি আহসান হাবিব।
Please follow and like us: