মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) প্রতিনিধি ঃ
মনোহরগঞ্জে এক স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ওই স্কুল শিক্ষক হলেন একই উপজেলার দৈয়ারা গ্রামের শাহজাহান মজুমদারের ছেলে মোঃ মনির হোসেন। সে উপজেলার যাদবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছে এলাকাবাসী।
লিখিত অভিযোগে জানা যায়, গত কিছু দিন পূর্বে ওই শিক্ষক স্কুলের পঞ্চম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানী করে। স্কুলের ছাত্র ছাত্রী অভিভাবকদের দাবীর প্রেক্ষিতে তাকে অন্যত্র বদলী করা হয়। কিন্তু কয়েকদিন পরেই প্রধান শিক্ষিকা হালিমা খাতুনের সহযোগীতায় ওই বদলী আদেশ স্থগিত করেন এবং একই সাথে অভিযুক্তের স্ত্রী কোহিনুর বেগমকে একই স্কুলে বদলী করে আনেন।
অভিযুক্ত মনির হোসেনের বিরুদ্ধে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর অপর আরেক লিখিত অভিযোগে জানা যায়, একই উপজেলার বাংলাইশ গ্রামের জনৈক আক্তারুজ্জামানকে প্রাথমিক বিদ্যলয়ে চাকুরী দিবেন বলে দেড় লক্ষ টাকায় চুক্তিবদ্ধ হন এবং দশ হাজার টাকা নগদ গ্রহন করেন।
এছঅড়াও অভিযুক্ত মনির হোসেনের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ে নিয়মিত না আসা, স্ত্রীসহ একই স্কুলে চাকুরী করার সুবাধে ক্লাসের সময় সন্তান নিয়ে আসা এবং ক্লাস চলাকালীন সময়ে ক্লাসের ভিতর মোবাইল ফোনে ফেইসবুক চালানোর অভিযোগ রয়েছে।
অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মনির হোসেনের নিকট যৌন হয়রানীর অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা অনেক আগের কথা। চাকুরীর কথা বলে টাকা নেয়ার ব্যাপারে জানান, সবই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।
যাদবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মাহবুবুল আলমের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, যৌন হয়রানী, বই বিতরনে টাকা নেয়া, উপবৃত্তির জন্য টাকা নেয়াসহ অসংখ্য অভিযোগ তার বিরুদ্ধে রয়েছে। শাস্তিমূলক বদলী হলেও তদবির করে আবারো ফিরে আসে। উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগ করেও সুরাহা পাইনি।