নাজিম হাসান,রাজশাহী প্রতিনিধি:
আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি আসনে কেন্দ্রীয় বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশীদের চুড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছেন। তবে রাজশাহীর ছয়টি আসনের মধ্যে এবার দুইটিতে চমক দেখিয়েছে দলটি। এছাড়া বাকি চারটি আসনে পুরোনোরাই পেয়েছেন দলীয় মনোনয়ন। একাধিক প্রার্থী এবার মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকলেও কপাল পুড়েছে অনেকের।কিন্তু ছয়টি আসনের মনোনয়ন পেলেও কোনো কারণে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) তাদের প্রার্থিতা যদি বাতিল করে সে জন্যই কোনো ঝুঁকি না নিয়ে দলটি সবকটি আসনেই দ্বিতীয় প্রার্থী রেখেছেন। তাই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনেই বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। এবার ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করার জন্য রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও আভা হক। আর রাজশাহী-২ (সদর) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু ও সাহিদ হাসান। রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মন্টু। রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে সাবেক এমপি আবু হেনা ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল গফুর। রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে সাবেক এমপি নাদিম মোস্তফা ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম এবং রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন চারঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাঈদ চাঁদ ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নুরুজ্জামান খান মানিক। এদের সবাই মনোনয়ন পত্রের চিঠি সংগ্রহ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন রাজশাহীর একাধিক নেতারা। সোমবার বিকেলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরীত এ সংক্রান্ত চিঠি তাঁদের হাতে প্রদান করা হয়। এদিকে,অনেক জল্পনা-কল্পনা শেষে প্রথম বারের মতো জাতীয় নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন চারঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আবু সাঈদ চাঁদ। সোমবার দলীয় মনোনয়ন ফরম বিতরণের প্রথম দিন বিকাল ৫ টায় বি.এন.পি’র গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে এ মনোনয়ন দেয়া হয় তাকে। তবে নাশকতা মামলায় হাজিরা দিতে এসে কারাগারে গেলেন চারঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাইদ চাঁদ। সোমবার দুপুরে তিনি রাজশাহী আদালতে হাজিরা দিয়ে জামিনের আবেদন করেন। এসময় আদালত বিএনপি নেতা চাঁদের জামিন মঞ্জুর না করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। চাঁদের বিরুদ্ধে বাঘা থানায় নাশকতার চেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনে দায়েকৃত মামলায় গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি ছিলো। সম্প্রতি পুলিশ ওই মামলাটি দায়ের করে।এবিষয়ে রাজশাহী জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,কৌশলগত কারণে দুইজন করে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। তবে সেটা কী তা বলা যাবে না। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে বিষয়গুলো পরিষ্কার হয়ে যাবে। উল্লেখ,বিএনপির আগামী ২৮ নভেম্বর মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার শেষ দিন। আর ৯ডিসেম্বর মনোনয়ন পত্যাহার।
, || - ||
রাজশাহীতে বিএনপির মনোনয়ন পেলেও দ্বিতীয় প্রার্থী রাখা হয়েছে
প্রকাশিত হয়েছে- প্রকাশ করেছেন- Khorshed Alam Chowdhury
Please follow and like us: