সচেতনতামূলক নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রুয়েট প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হয়। রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১১টায় র্যালিটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে এবং আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হকের পরিচালনায় র্যালি এবং কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম সরকার, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. এইচ. এম. রাসেল, আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদ সাজ্জাদ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আরিফ আহম্মদ চৌধুরীসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, দপ্তর ও শাখা প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।রুয়েটের আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক জানান, শিক্ষক, ছাত্র এবং গবেষকদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রুয়েট প্রতিবছর এই দিনে নানা আয়োজন করে থাকে। মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতার জন্য মেধাস্বত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবসের সাথে সামঞ্জস্য রেখে রুয়েট এই দিবসটি পালন করে আসছে। উল্লেখ্য যে, মানুষের জীবনকে পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক কিংবা কপিরাইট কীভাবে প্রভাবিত করে এবং সৃষ্টিশীল মানুষ ও বিজ্ঞানীদের কাজ কীভাবে সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখছে এসব বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিবসটি পালন করা হয়। ১৯৯৯ সালের অক্টোবর মাসে ওয়ার্ল্ড ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন (ডব্লিউআইপিও) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মেধাসম্পদ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। মেধাস্বত্ব বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ১৯৭০ সালের ২৬ এপ্রিল স্থাপিত হয় ওয়ার্ল্ড ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন। যে কারণে দিবসটি পালনের জন্য ২৬ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়।
ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে এবং আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হকের পরিচালনায় র্যালি এবং কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম সরকার, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. এইচ. এম. রাসেল, আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদ সাজ্জাদ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আরিফ আহম্মদ চৌধুরীসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, দপ্তর ও শাখা প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।রুয়েটের আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক জানান, শিক্ষক, ছাত্র এবং গবেষকদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রুয়েট প্রতিবছর এই দিনে নানা আয়োজন করে থাকে। মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতার জন্য মেধাস্বত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবসের সাথে সামঞ্জস্য রেখে রুয়েট এই দিবসটি পালন করে আসছে। উল্লেখ্য যে, মানুষের জীবনকে পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক কিংবা কপিরাইট কীভাবে প্রভাবিত করে এবং সৃষ্টিশীল মানুষ ও বিজ্ঞানীদের কাজ কীভাবে সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখছে এসব বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিবসটি পালন করা হয়। ১৯৯৯ সালের অক্টোবর মাসে ওয়ার্ল্ড ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন (ডব্লিউআইপিও) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মেধাসম্পদ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। মেধাস্বত্ব বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ১৯৭০ সালের ২৬ এপ্রিল স্থাপিত হয় ওয়ার্ল্ড ইনটেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন। যে কারণে দিবসটি পালনের জন্য ২৬ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়।
Please follow and like us: