সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া বাজারে বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আলীর ওপর বর্বরোচিত হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পাথারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল মমিন।
শনিবার দুপুরে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি চিহ্নিত সন্ত্রাসী আঙ্গুর মিয়া ও তার বাহিনীর তান্ডবের বিচার দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আব্দুল মমিন জানান, গত ২২ মার্চ সন্ধ্যায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সুতারগাঁও এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী, ডাবল মার্ডার মামলার প্রধান আসামি এবং মাদক ও জুয়ার গডফাদার হিসেবে পরিচিত আঙ্গুর মিয়া ও তার বাহিনী বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আলীর ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালায়।
হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মোহাম্মদ আলীর মাথায় ও গলায় কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হামলার সময় সন্ত্রাসীরা মোহাম্মদ আলী ও আব্দুল মমিনের বাড়ি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
আব্দুল মমিন জানান, ঘটনার কয়েকদিন আগে আঙ্গুর মিয়ার ভাগ্নে জাবেদ বিনা কারণে পাথারিয়া গ্রামের মানুষকে মুঠোফোনে গালিগালাজ করে। এ নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ মিমাংসার জন্য আব্দুল মমিন শালিসের আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু ঘটনার দিন আঙ্গুর মিয়ার লোকজন শালিস না মেনে পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এ তাণ্ডব চালায়।
তিনি বলেন,আঙ্গুর মিয়া সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এম.এ মান্নান ও তার ছেলে সাদাত মান্নানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে এলাকায় সু-পরিচিত ছিল।
আওয়ামী শাসনামলে মন্ত্রীর দাপট খাটিয়ে সে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।
বর্তমানেও সে জলমহাল দখল, জুয়া এবং মাদক ব্যবসার মাধ্যমে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করছে। সন্ত্রাসী আঙ্গুর মিয়া ও তার পরিবার আব্দুল মমিনসহ এলাকার নিরীহ মানুষের নামে মানহানিকর তথ্য প্রচার ও হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা সহ দেশবাসী ও প্রশাসনের কাছে সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।









