, || - ||

শার্শার সীমান্ত দিয়ে কথিত ঘাট মালিক কুতুব এর মাধ্যেমে ভারতে দেশে আসছে মাদক সহ অন্যান্য পন্য

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- সোহাগ হোসেন, বেনাপোল,যশোর করেসপন্ডেন্ট।
শার্শার রুদ্রপুর সীমান্ত দিয়ে চোরাচালানি অব্যাহত রয়েছে। এপথে ফেন্সিডিল,গরু, মাছের ডিম, মোবাইল ফোন আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। করোনা ভাইরাসের মধ্যে দিয়েও ভারত থেকে এসব পন্য আসায় মানুষ ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে।কথিত ঘাট মালিক বলে পরিচিত কুতুব উদ্দিন ও তার ভাই হানিফ নিজে চোরাচালানির সাথে জড়িত এবং অন্যদের ভারত থেকে পন্য আনতে সাহায্য করে থাকে বলে অভিযোগ একাধিক।
সুত্র মতে শার্শার রুদ্রপুর সীমান্ত একটি দুর্গম এলাকা। এই পথে প্রতিদিনি ভারত থেকে ফেন্সিডিল , গাঁজা সহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য আসছে। মাঝে মধ্যে দুই একটি চালান আটক হলেও বড় বড় চালান চলে যচ্ছে দেশের অভ্যান্তরে। রুদ্রপুর সীমান্তের দাউদখালী ও রুদ্রপুর বউ বাজার এলাকার প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ ফেন্সিডিল ব্যবসার সাথে জড়িত বলে সুত্রটি দাবি করে।
শফিকুল নামে একজন শিক্ষক বলেন, এ পথে ভারত থেকে প্রতিদিন কোন না কোনভাবে ফেন্সিডিল আসে। এখানকার বাড়ি বাড়ি তল্লাশি করলে পাওয়া যাবে ফেন্সিডিল। এই দুর্যোগের সময়ও থেমে নেই মাদক  ব্যবসা।
নির্ভরযোগ্য সুত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কুতুব ও তার ভাই হানিফ চোরাচালানির একটি শক্তি শালী  সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে।রুদ্রপুর সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ভারত থেকে চিংড়ি মাছের ডিম এবং দেশ থেকে ভারতে মাছের পোনা পাচার করে থাকে। সে এখানকার সীমান্তরক্ষীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে সু- কৌশলে এসব আনা নেওয়া করে। মাঝে মধ্যে দুই একটি গরু এ সীমান্ত দিয়ে আসে সরকারী শুল্ক ফাকি দিয়ে। এমনকি কুতুব উদ্দিন রুদ্রপুর বউ বাজার এলাকার চোরাচালানিদের নিকট থেকে বিজিবির দুইএকজন কর্তার নাম করে টাকা উঠায়।কুতুব এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় তার সামনে কেউ মুখ খুলবে না। কারন তার বিরুদ্ধে যে বলবে তাকে সে মারধর করতে পারে।
এ ব্যাপারে কুতুব উদ্দিনকে ফোন দিলে কুতুবউদ্দিন বলে আমি ক্যাম্পে আছি দুই এক মিনিট পর ফোন দেন। এরপর ফোন দিয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে সে বলে আমি বিজিবির এসব স্যারদের চিনিনা। আমার নামে যারা এসব অপবাদ দিয়েছে তাদের নাম বলেন এবং মোবাইল নং বলেন, আমি তাদের দেখে নিব। আমার সামনে এসে তারা বলবে । এখোন করোনা ভাইরাস একটি পাখিও ঢুকছে না। আমরা কোন মালামাল আনা নেওয়া করতে পারি না। তবে ফেন্সিডিল মাঝে মধ্যে ধরা পড়ছে কেন? একথার কোন সদুত্তর দিতে পারে নাই কুতুব উদ্দিন।
২১ বিজিবি রুদ্রপুর ক্যাম্পের ইনচার্জ সুবেদার মোখলেছুর রহমানকে ফোন দিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে কোন চোরাচালানি হয়না। আর এখানে একজনের শত্রু আরএকজন। কেউ হয়ত কুতুব নামে ওই লোকের নামে মিথ্যা কথা বলতে পারে।
২১ বিজিবি উপ-পরিচালককে ফোন দিয়ে বিষয়টি অবগত করানো হলে তিনি বলেন, এটা আমার জানা নেই। তবে ওই লোক যদি এরকম কাজ করে তবে ওর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
Please follow and like us: