, || - ||

“শীঘ্রই কমিটি ঘোষণা করা হবে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্বরপুর উপজেলা ও মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগের কমিটি”

প্রকাশিত হয়েছে-
প্রকাশ করেছেন- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্বরপুর উপজেলা ও মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগের কমিটি ২-৩ দিনের মধ্যেই ঘোষণা হতে পারে। জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা এই তথ্য জানিয়েছেন। শুক্রবার রাতেই জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ দায়িত্বশীলরা এই নিয়ে বৈঠকে বসবেন বলে দলের নেতারা জানিয়েছেন।
মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগে বিরোধ অনেক দিনের। ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদের প্রয়াত চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল তালুকদার ছিলেন এই থানা আওয়ামী লীগের একাংশের আহ্বায়ক, যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন নৃপেন্দ্র চন্দ্র রায়, প্রবীর বিজয় তালুকদার, প্রভাকর তালুকদার পান্না, আলমগীর খসরু, কুতুব উদ্দিন ও মনোরঞ্জন তালুকদার। অপরাংশের আহ্বায়ক ছিলেন গিয়াস উদ্দিন নূরী।
আব্দুল আউয়ালের মৃত্যুর পর একাংশের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ছিলেন নৃপেন্দ্র চন্দ্র রায় এবং আরেকাংশের আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন নূরী।
গত ৮ নভেম্বর মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়ভাবে সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের সমর্থক হিসেবে পরিচিতরা সম্মেলনস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ দায়িত্বশীলরা সম্মেলনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন। সম্মেলন হবার পর ১৫ দিন পার হলেও ওই থানার কমিটি ঘোষণা হয় নি।
জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতারা অবশ্য বলেছেন, ২-৩ দিনের মধ্যেই এই ইউনিটের কমিটি ঘোষণা হবে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মধ্যনগরের নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসাবে গিয়াস উদ্দিন নূরী এবং আব্দুস শহীদ আজাদের নাম আলোচনায় থাকলেও গিয়াস উদ্দিন নূরীকেই জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীলরা যোগ্য মনে করছেন। সাধারণ সম্পাদক হতে আগ্রহীদের সংখ্যা বেশি থাকায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এই বিষয়টি নিয়ে সংগঠনের সিলেট বিভাগের দায়িত্বশীল কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত করতে চাচ্ছেন। সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে এই থানায় আগ্রহীরা হলেন- পরিতোষ রায়, ইউপি চেয়ারম্যান প্রবীর বিজয় তালুকদার, মোবারক হোসেন তালুকদার, প্রভাকর তালুকদার পান্না, মাহবুব ফারুকী, সঞ্জিত তালুকদার টিটু ও নির্মল দেবনাথ।
বিশ্বম্ভপুরে  প্রায় ৫ বছর পর সম্মেলন হয়েছে গত ৫ নভেম্বর। ৫ বছর আগের সম্মেলনে বেনজির আহমদ মানিক সভাপতি এবং দিলীপ বর্মণ সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন। স্থানীয়ভাবে এই দুই নেতাই ভদ্র ও বিনয়ী হিসাবে পরিচিত। ৫ বছর পর হওয়া সম্মেলনে মুখ্য দুই পদের অন্তত একটিতে পরিবর্তন দেখতে চান দলীয় নেতা কর্মীরা।
উপজেলা আওয়ামী লীগের এক সক্রিয় নেতা বললেন, ‘নেতৃত্ব নতুনত্ব না থাকলে দলে গতি আসে না। এর আগের কমিটিতে শামসুজ্জামান মাস্টার সভাপতি এবং বেনজির আহমদ মানিক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ২০১৪’এর ২৩ নভেম্বরের সম্মেলনে তখনকার সাধারণ সম্পাদক বেনজির আহমদ মানিককে সভাপতি এবং স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য আরেক দলীয় নেতা দিলীপ বর্মণকে সাধারণ সম্পাদক করায় সংগঠন আরও গতিশীল হয়েছিল। এবারও যেহেতু বর্ণাঢ্য সম্মেলন হয়েছে, কমিটিতেও নিশ্চয়ই নতুনত্ব থাকবে।সকলেই চাইছেন নতুন কমিটি ঘোষণা হোক।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান বলেন, শীঘ্রই কমিটি ঘোষণা হবে। আজ রাতেই বিশ্বম্বরপুর- মধ্যনগরের কমিটির বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য বসবো আমরা।

Please follow and like us: