শীত ঋতুর শুরু থেকেই সুনামগঞ্জ সহ সারা দেশে ঝেঁকে বসেছে শীত। আর ক্রমশ বাড়ছে শীতের তীব্রতা। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাতাসের আর্দ্রতাও। ঠাণ্ডায় জবুথবু হয়ে পড়েছেন শিশু-বৃদ্ধসহ কর্মমুখী সাধারণ মানুষ। সবচেয়ে কষ্টের মধ্যে আছে ফুটপাতের গরীব মানুষ। কেউ কেউ আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। বিক্রি বেড়েছে গরম কাপড়ের দোকানে। সবচেয়ে বেশি ভীড় দেখা যাচ্ছে ফুটপাতের দোকানগুলোতে।এদিকে শীতের কারণে খেটে খাওয়া মানুষ বিপাকে পড়েছেন। বিশেষ করে রিক্সাচালক, ভ্যানচালক ও শ্রমজীবি মানুষের দুর্ভোগ প্রকট আকার ধারণ করছে। অতিরিক্ত ঠান্ডা ও বাতাসের আদ্রতার কারণে উপার্জনে ভাটা পড়েছে তাদের। ফলে পরিবারের ভরণপোষণে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।তীব্র শীতে বোরো জমির চাষী ও শ্রমিকরা ও রয়েছেন চরম বিপাকে। ঠান্ডার কারণে পানি ও কাঁদায় যেন হাত চলে না তাদের। অতি কষ্ট নিবারণ করে চারা রোপন করে বিকাল গড়ালেই ঘরমুখো হচ্ছেন তারা।শীতের প্রকোপ বাড়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে রয়েছেন গ্রামীণ নিম্নশ্রেণির শিশু ও বৃদ্ধরা। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে ঠান্ডায় ভোগছেন তারা। আক্রান্ত হচ্ছেন নানা রকমের ঠান্ডাজনিত রোগে।ফরহাদ মিয়া নামের এক অটোরিকশা চালক বলেন, গাড়ি চলতির সময় বাতাসে খুব বেশি ঠান্ডায় হাত পা অবশ হওয়ার উপক্রম হয়। বাতাসে চোখ দিয়ে পানি পড়ে। রোদের তাপ বাড়লে দুপুর বেলা রিকশা চালিয়ে যে টাকা উপার্জন করি তা দিয়েই টেনেটুনে সংসার চালাতে হচ্ছে।কম্বল গায়ে দিয়ে পাগলা বাজারে আসা ষাটোর্ধ্ব করিমুন নেছা বলেন, ঠান্ডায় হাত পা কাঁপছে, তাই গাঁয়ে দেওয়ার মত শীতবস্ত্র না থাকায় কম্বল গায়ে দিয়েছে। রাতে ঠান্ডার জন্য ঘুমাতে পারিনা। শীত নিবারনের জন্য শীতবস্ত্র দিতে এলাকার জনপ্রতিনিধিদের প্রতি অনুরোধ করেছেন তিনি।যোগাযোগ করা হলে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান নুর হোসেন বলেন, উপজেলার অসহায় মানুষকে শীতবস্ত্র বিতরণের জন্য ইতিমধ্যে মন্ত্রী মহোদয়ের পক্ষ থেকে প্রতি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের কাছে বরাদ্দ পৌছানো হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ সাহায্যের চেষ্টা করে যাবো।
, || - ||
শীত ঋতুর শুরু থেকেই সুনামগঞ্জ সহ সারা দেশে ঝেঁকে বসেছে শীতশীত ঋতুর শুরু থেকেই সুনামগঞ্জ সহ সারা দেশে ঝেঁকে বসেছে শীত
প্রকাশিত হয়েছে- প্রকাশ করেছেন- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
Please follow and like us: