মোঃ আব্দুর রহিম বাবলু:-
কুমিল্লা নাঙ্গলকোটে সমাজসেবার পাশাপাশি নিজ বাগানে সময় কাটান,সাবেক পৌর মেয়র মনিরুজ্জামান খান। তিনি বিশিষ্ট সমাজসেবক, রাজনীতিবীদ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটিতে দায়িত্বে রয়েছেন।এগুলোর পাশাপাশি তিনি তার অবসরকালীন সময় নিজ বাগানে অতিবাহিত করেন।
সাংবাদিক আব্দুর রহিম বাবলুর একান্ত সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, এখন তো আর শৈশব, কৈশর ও যৌবনের সেই দূরন্তপনা নেই, তাই অবসর সময় কাটাতে নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় ও আমার বিল্ডিং এর ছাদের উপর সখের বসে বাগান তৈরী করি এবং তার পরিচর্যা করে অবসরকালীন সময় অতিবাহিত করি।আমার বাগানে বিভিন্ন প্রকার ফুল, ফল, ঔষধী ও ছায়াতরু গাছ থেকে শুরু করে সকল ধরনেরই গাছ আছে।
তিনি আরো জানান, এবাগান একদিকে যেমন আমার সখের বস্তুু, তেমনি অন্যদিকে আমার পরিবারের ফল ও শাক-সবজির চাহিদাও মেটায়।এবাগান যেমনি প্রতিনিয়ত অক্সিজেন সরবরাহ করছে,তেমনি আমার বাড়ির সুন্দর্যও বৃদ্ধি করেছে। আত্মী-স্বজন বা কোন অতিথি আমার বাড়ি আসলে অন্যকিছু দেখুক বা না দেখুক,আমার বাগানটা অবশ্যই দেখবে।আমিও তাদেরকে নিজের বাগান দেখাতে ভাল লাগে।তারাও আমার বাগান দেখে উৎসাহিত হয়।এবং অনেকেই নিজেদের বাড়িতেও এমন বাগান করবে বলে অনুভুতি ব্যক্ত করে।
তিনি আরো জানান, শুধু বাগানই নয়, আমার ওয়াইফ হাসঁ-মুরগী ও কবুতরও পালন করে,সাথে আছে পুকুরে মাছ চাষ। বিকেলে দখিনা সমিরণে পুকুরের পাড়ে বসে বর্শি বাইতে যেমন ভাল লাগে, তেমনি মাছও ধরা হয়।এক কথায় গরুর মাংস ছাড়া আমার বাড়িতে সবই পাওয়া যায়।এগুলো যমন বাড়ির সুন্দর্যও বৃদ্ধি করে তেমনি রোগ-বালাই মুক্তরাখে।
তিনি আরো জানান,প্রত্যেকটা মানুষের জিবনে কোন না কোন সখের কাজ থাকে, যা সবাই স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ভাল লাগার জন্যেই করে থাকেন।কেউ পাখি পোষে, কেউ বা পশু, কেউ করে মছ্য চাষ, কেউ বা ফুলের বাগান, আবার কেউ বা হাঁস-মুরগী পালন, অর্থাৎ যার যেটা পছন্দ।
তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা সাধ্যমত নিজের বাড়ির আঙ্গিনায় একটি করে বাগান করবেন। যা আপনার বাড়ির সুন্দর্য বৃদ্ধি করার পাশা-পাশি অক্সিজেন, শাক-সবজি ও ফলের চাহিদা পূরণ করবে।